Latest News

এখনও সিপিএম! জ্যান্ত পুড়ে গেলেন দম্পতি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যে পালাবদলের পর গঙ্গা দিয়ে বয়ে গিয়েছে গ্যালন গ্যালন জল। কত নেতা, কত কর্মী কাস্তে ছেড়ে হাসতে হাসতে চলে গিয়েছেন জোড়াফুল শিবিরে। যে নেতা তাঁদের ‘শ্রেণী সংগ্রাম’ শেখাতেন সেই রেজ্জাক মোল্লাও এখন তৃণমূলের মন্ত্রী। কিন্তু তাঁরা যাননি। সিপিএম ছাড়েননি কাকদ্বীপের দেবু দাস এবং ঊষারানি দাস। আর পঞ্চায়েত ভোটের আগের রাতেই তাঁদের ঘুমন্ত অবস্থায় জ্যান্ত জ্বালিয়ে  দেওয়ার অভিযোগ উঠল শাসক দলের বিরুদ্ধে।

আরও পড়ুন মমতার নির্দেশও উড়ে গেল উন্নয়নে

সিপিএম নেতৃত্বের অভিযোগ, বুধাখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২১৩ নং বুথের প্রার্থী অমিত মণ্ডলের নেতৃত্বে দুষ্কৃতীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। তৃণমূল অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি শর্ট সার্কিট থেকে মৃত্যু হয়েছে দেবু দাস এবং ঊষারানি দাসের। সিপিএম দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা জেলা সম্পাদক শমীক লাহিড়ী four.suk.1wp.in-কে বলেন গত কয়েকদিন ধরেই এই দু’জনকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। তাঁর আরও অভিযোগ, ‘কমিশনকে জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি। কমিশন যে অবজার্ভারদের নম্বর দিয়েছে সেগুলি ভুল।’

আরও পড়ুন বুথেই সপাটে চর মারলেন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ 

সকাল থেকেই দেহ আটকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন সিপিএম কর্মীরা। ময়নাতদন্তের জন্যেও নিয়ে যাওয়া যায়নি দেহ। দুপুরে রাজ্য বামফ্রন্টের ডাকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের সামনে জড়ো হন বাম কর্মীরা। জানা গিয়েছে, সুজন চক্রবর্তী এবং কান্তি গাঙ্গুলি নিহতদের দেহ নিয়ে কাকদ্বীপ থেকে রওনা দেওয়ার পরে সেখানেই তাঁদের আটকে দেয় প্রশাসন।

আরও পড়ুন ভোট ঘিরে হিংসা জেলায় জেলায়

আরও পড়ুন ‘বাংলাদেশ থেকে দুষ্কৃতী এনে বুথ দখলের চেষ্টা বিরোধীদের’: জ্যোতিপ্রিয়

 

You might also like