Latest News

কংগ্রেস সভাপতি পদে লড়াইয়ে প্রার্থী কে এই কেএন ত্রিপাঠি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: লড়াই মূখ্যত দু’জনের মধ্যে। একজন কর্নাটকের মল্লিকার্জুন খাড়্গে (Mallikarjun Kharge)। অপরজন কেরলের শশী তারুর (Sashi Tharoor)। কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচনে (Congress President Election) শেষ কবে দুই দক্ষিণী মুখোমুখী লড়াইয়ে শামিল হয়েছেন বা আদৌ তেমন নজির আছে কি না, এখনই বলা কঠিন।

তবে লড়াইটা খাতায় কলমে শেষ পর্যন্ত দু’জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না। ঝাড়খণ্ডের কেএম ত্রিপাঠিও (K N Tripathi) দলের সভাপতি পদের লড়াইয়ে আছেন। আজই মনোনয়নপত্র জমা করেছেন তিনিও। তিনি ঝাড়খণ্ড সরকারের প্রাক্তন মন্ত্রী এবং রাজ্যের মেদিনীনগরের বাসিন্দা।

তিনি বলেন, “সভাপতি পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ক্ষেত্রে দলীয় হাইকমান্ডের নির্দেশ পালন করে যাব।” অর্থাৎ ইঙ্গিত করেছেন, যদি বার্তা দেওয়া হয়, তাহলে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেও নিতে পারেন। তাঁর কথায়, “আমি আজ দলীয় সভাপতি পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছি। এরপর দলের নেতারা যে সিদ্ধান্তই নেবেন তা সম্মান করব।”

দলীয় সভাপতি পদে তাঁর প্রার্থী হওয়ার পেছনে কোনও দলীয় অঙ্ক রয়েছে বলে এখনই কেউ মনে করছেন না। বরং দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময় যেমন বহু সাধারণ নাগরিক মনোনয়নপত্র জমা করে প্রচারের আলোয় আসেন, ত্রিপাঠির সিদ্ধান্তকে এখনও সেই দৃষ্টিতেই দেখছে কংগ্রেস (Congress)।

ত্রিপাঠি অবশ্য তাঁর মনোনয়ন পেশের সিদ্ধান্তের রাজনৈতিক ব্যাখ্যা হাজির করেছেন। তাঁর কথায়, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এই বার্তা দেওয়া গেল, কংগ্রেসে অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র রয়েছে। অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র দাবি করে যে একজন কৃষকের ছেলে দলের সভাপতি পদের লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। বিজেপিতে এটা সম্ভব নয়।

তাঁর পুরো নাম কৃষ্ণানন্দ ত্রিপাঠী। তবে কেএন ত্রিপাঠি নামেই পরিচিত তিনি। রাজনীতিতে আসার আগে ভারতীয় বিমান বাহিনীতে ছিলেন। সেনাবাহিনীর চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে আসেন এবং ২০০৫-এ প্রথমবারের মতো ডালটনগঞ্জ আসনে কংগ্রেসের টিকিটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। কিন্তু আরজেডি নেতা ইন্দর সিং নামধারীর কাছে পরাজিত হন।

তবে ২০০৯-এর বিধানসভা ভোটে ডালটনগঞ্জ থেকেই জয়ী হয়ে গ্রামনোনন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী হন। ডালটনগঞ্জের রেডমা কাশীনগর এলাকার বাসিন্দা মাঝবয়সি ত্রিপাঠী কৃষক পরিবারের সদস্য।

কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচন: লড়াই মল্লিকার্জুন বনাম শশীর, আর কোনও নাম নেই

You might also like