Latest News

দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের লড়াইয়ে আমিও সামিল হচ্ছি, জানালেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Justice Abhijit Ganguly) বিচার প্রক্রিয়ার ধারা নিয়ে আইনজীবীদের একাংশ প্রশ্ন তুলেছেন ঠিকই। কিন্তু তার থেকেও বড় বাস্তব হল, বাংলায় বিপুল সংখ্যক মানুষের কাছে তিনি এখন ভগবানের মতো হয়ে উঠেছেন। যিনি দুর্নীতির (Scam in Bengal) বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বেপরোয়া মানসিকতার পরিচয় দিচ্ছেন বলেই তাঁদের মত।

বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) গ্রুপ-ডি নিয়োগ (Group D Case) মামলার শুনানি ছিল। সেই শুনানির সময়ে ভরা এজলাসে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু (Justice Biswajit Basu) জানালেন, বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় যে অনমনীয় অবস্থান নিয়ে চলছেন, তাতে তাঁর পূর্ণ সমর্থন রয়েছে। বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর কথায়, “বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে যে লড়াই করছেন তাতে আমিও এবার সামিল হচ্ছি”।

স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগের ক্ষেত্রে বহু স্তরে দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। নবম-দশম এবং একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণিতে শিক্ষক নিয়োগ, অশিক্ষক কর্মচারী তথা গ্রুপ সি এবং গ্রুপ-ডি কর্মচারী নিয়োগ, মেধা তালিকার ক্রম ভেঙে প্যানেলের একেবারে পিছনে থাকা প্রার্থীকে নিয়োগ করা ইত্যাদি প্রভৃতি। এত মামলা হয়েছে যে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় একার পক্ষে তা সামলানো মুশকিল। তাই কিছু মামলার শুনানির ভার বিচারপতি রাজশেখর মান্থা ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুকে দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার গ্রুপ-ডি কর্মচারী নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল।

চাকরি দুর্নীতি:‌ আদালতের নির্দেশ তুলতে হবে কমিশনের ওয়েবসাইটে, বিজ্ঞাপন কাগজেও

ওই শুনানিতে এদিন সিবিআই রিপোর্টের কথা উল্লেখ করেছেন বিচারপতি বসু। সিবিআইয়ের ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে যে স্কুল সার্ভিসে মোট ৮১৬৩ জনকে বেআইনি ভাবে নিয়োগ করা হয়েছে। এদিন বিচারপতি বলেন, যা পরিসংখ্যান দেখলাম তা ভয়ঙ্কর। এটা হিমশৈলের চূড়া মাত্র। বাকি সবটা জলের তলায় রয়েছে।

তা ছাড়া বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের মতোই বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু এদিন বলেছেন, যাঁরা বেআইনি ভাবে চাকরি পেয়েছেন তাঁদের সবার নিয়োগ বাতিল করতে হবে। নতুন করে প্যানেল তৈরি করতে হবে। দুর্নীতিবাজদের কঠোর শাস্তি দেবে আদালত।

গ্রুপ ডি নিয়োগ নিয়ে তদন্ত এগোনোর ব্যাপারে সিবিআইকে এদিন নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি। ১৮ নভেম্বরের মধ্যে সিবিআইকে ওই রিপোর্ট দিতে হবে। তার পর ১৮ তারিখ মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।

বেআইনি চাকরি পাওয়া শিক্ষকরা আবর্জনা, ছাত্ররা এঁদের দিকে আঙুল তুলবে: বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু

You might also like