Latest News

আবারও হারের সরণীতে ইস্টবেঙ্গল, ১১ ম্যাচ পরেও দুর্দশা কাটল না লাল হলুদের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নতুন বছরে প্রথম হার ইস্টবেঙ্গলের। চলতি আইএসএলে ছয় নম্বর ম্যাচে পরাজয় বরণ করে নিল লাল হলুদ দল। তারা জিততে ভুলে গিয়েছে। শেষ কবে তারা জিতে মাঠ ছেড়েছে, সেই নিয়ে ক্যুইজের আসরে প্রশ্ন হতে পারে।

মঙ্গলবার ম্যাচে ৮৮ মিনিটে গোল হজম করেছে তারা। জামশেদপুর এফসি-র ঈশান পান্ডিতা গোল করে দলের জয় এনে দিয়েছেন। ফের ড্র করলে ধন্য ধন্য হতো রেনেডি সিংয়ের কোচিংয়ের এই দলের। কিন্তু যে দলের নাম ইস্টবেঙ্গল, যে দলের ইতিহাসে পরতে পরতে লড়াইয়ের কথা রয়েছে, তাদের এমন দুর্দশা শেষ কবে ঘটেছে, জানতে গেলে পুরনো নথি দেখতে হবে।

ভাল খেলা ও জেতার মধ্যে অনেক ফারাক। ইস্টবেঙ্গলের মতো দল হার কিংবা ড্রয়ের জন্য খেলে না। তারা চ্যাম্পিয়ন হতে মাঠে নামে। তাদের জিয়নকাঠি দলের সমর্থকরা। তাঁরা প্রতি ম্যাচের শেষে লজ্জায় মুখ লুকোন। প্রশ্ন এখানেই, এবার আইএসএলে একটা ম্যাচ না জিতে রেকর্ড গড়বে না তো! কে বলতে পারে, সেই কথা।

রেনেডি সিংয়ের কোচিংয়ে তাও প্রাণ ফিরেছে দলের। তবুও হার ও ড্র দেখতে দেখতে হতাশা গ্রাস করছে সমর্থকদের। লড়াই যে দলের ইতিহাস, তাদের কর্তাদের উদাসীনতায় দলের এমন হাল হয়েছে। অযোগ্য বিদেশীদের নিয়ে এজেন্টের থেকে কাটমানি, আর ক্লাব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ইনভেস্টরদের ছায়াযুদ্ধতেই শেষ দলের অন্দরমহল।

প্রথম সাক্ষাতে এই জামশেদপুরের বিরুদ্ধে ড্র করেছিল ইস্টবেঙ্গল। সেইসময় ছিল স্প্যানিশ কোচ ম্যানুয়েল দিয়াজের জমানা। তারপর বহু সময় কেটে গিয়েছে। দলের অবস্থা দিনকালে আরও হতশ্রী হয়েছে।

স্পেনীয় কোচকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারায় ড্যানিয়েল চিমাও চলে গিয়েছেন। তাঁর বদলে আসছেন ব্রাজিলীয় স্ট্রাইকার মার্সেলো। তার মধ্যে ইস্টবেঙ্গলের নয়া কোচ পুরনো মুখ মারিও রিভেরাও পরের ম্যাচ থেকে দলের দায়িত্ব নেবেন।

রেনেডির হাতে পড়ে দলের ডিফেন্স ও মাঝমাঠ সংঘবদ্ধ হলেও গোল করার লোক নেই লাল হলুদে, সেটাই প্রতি ম্যাচে ভোগাচ্ছে।

মঙ্গলবার প্রথম একাদশে এগারো জন ভারতীয়কে নিয়ে নেমেছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল কোচ। শেষ ম্যাচে রেনেডি সিংহের দলকে উজ্জীবিত লেগেছিল। মুম্বই এফসি-কে হারাতে না পারলেও লাল-হলুদের খেলা মন কেড়েছিল সমর্থকদের। আশা ছিল মঙ্গলবারের ম্যাচে জয় তুলে নেওয়ার। কিন্তু পারলেন না হীরা মন্ডল, সৌরভ দাসরা। শেষ দিকে অরিন্দম ভাল সেভ না করলে দল আরও একটি গোল খেতে পারত।

১১ ম্যাচে লাল হলুদের পয়েন্ট ছয়, তারা তালিকার শেষেই। আর জামশেদপুর জিতে শীর্ষে চলে গেল। পাঁচে রয়েছে এটিকে মোহনবাগান।

You might also like