Latest News

চলতি বছরই অ্যামাজনের সিইও-র পদ থেকে ইস্তফা দেবেন জেফ বেজস

দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্টার্ট আপ কোম্পানি থেকে আজ অ্যামাজনকে বিশ্বের অন্যতম বড় কোম্পানি হিসেবে তুলে ধরেছেন তিনি। বিশ্বের ধনীতম ব্যক্তি তিনি। সেই জেফ বেজস এবার অ্যামাজনের চিফ এগজিকিউটিভের পদ ছাড়তে চলেছেন। মঙ্গলবার নিজেই সেই কথা জানিয়েছেন বেজস। চলতি বছরই শেষের দিকে হয়তো সরে দাঁড়াবেন তিনি।

জানা গিয়েছে, নিজের পদ অ্যান্ডি জ্যাসির হাতে তুলে দেবেন বেজস। অ্যান্ডি এই মুহূর্তে অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেসের দায়িত্বে রয়েছেন। করোনা অতিমারীর জেরে যেখানে অন্যান্য শিল্পপতিরা লোকসানের মুখ দেখেছেন সেখানে নিজের লাভ দ্বিগুণেরও বেশি বাড়িয়েছেন বেজস। লকডাউনের ফলে ওয়েব সিরিজের দর্শক সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় ৭.২ বিলিয়ন ডলার থেকে বেজসের লাভের পরিমাণ এক ধাক্কায় ১২৫.৬ বিলিয়ন ডলার হয়েছে।

অ্যামাজনের কর্মীদের একটি চিঠি লিখে নিজের সরে যাওয়ার ইচ্ছের কথা জানিয়েছেন জেফ বেজস। তিনি বলেছেন, অ্যামাজনের বেশ কিছু কাজের সঙ্গে তিনি যুক্ত থাকবেন। কিন্তু এরপর নিজের সংস্থা ‘ডে ওয়ান ফান্ড’ ও ‘বেজস আর্থ ফান্ডের’ জন্য বেশি সময় দেবেন। সেইসঙ্গে মহাকাশ ও সংবাদমাধ্যমের দিকেও তাঁর আগ্রহ আরও একটি ঝালিয়ে নিতে চান তিনি।

৫৭ বছরের জেফ বেজস ১৯৯৪ সালে নিজের গ্যারাজে অ্যামাজনের প্রতিষ্ঠা করেন। ধীরে ধীরে এত বছরে রিটেইলের দুনিয়ায় সবথেকে বড় নাম অ্যামাজন। সব ধরনের সামগ্রী ঘরে বসেই পাওয়া যায়। অবশ্য শুধু অ্যামাজন নয়, ‘দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট’ সংবাদপত্র ও ‘ব্লু অরিজিন’ স্পেস ফার্মও রয়েছে তাঁর। সেই দু’দিকেই এবার বেশি নজর দিতে চান তিনি।

১৯৯৭ সালে মার্কেটিং ম্যানেজার হিসেবে অ্যামাজনে যোগ দেন জ্যাসি। কোম্পানিকে বড় করার পিছনে তাঁরও যথেষ্ঠ ভূমিকা রয়েছে। সেই কথা মনে করিয়ে দিয়েই বেজস বলেছেন, “অ্যান্ডিকে কোম্পানির সবাই চেনে। আমি যতদিন ধরে রয়েছি প্রায় ততদিন ধরেই ও রয়েছে। আমি জানি ও খুব ভালভাবে এই দায়িত্ব সামলাবে। ওর উপর আমার সম্পূর্ণ আস্থা রয়েছে। এই মুহূর্তে আমি মনে করি অ্যামাজনের আরও বড় হওয়ার সময় এসেছে।”

You might also like