Latest News

সাঁওতালি ভাষায় সংবিধান অনুবাদ! বাঁকুড়ার শ্রীপতির দারুণ কীর্তি, প্রশংসায় পঞ্চমুখ খোদ প্রধানমন্ত্রীও

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নাগরিকদের মৌলিক অধিকার থেকে শুরু করে যাবতীয় বিষয়ে দেশ পরিচালনার রূপরেখা থাকে সংবিধানে। তবে ভাষার প্রতিবন্ধকতার কারণে অনেকের কাছেই সংবিধান বোধগম্য হয়ে ওঠে না। বাঁকুড়ার শ্রীপতি টুডু একক উদ্যোগে সেই প্রতিবন্ধকতাকে কাটিয়ে তোলার চেষ্টা করলেন। নিজের উদ্যোগে ভারতীয় সংবিধানকে সাঁওতালি ভাষা আর অলচিকি হরফে অনুবাদ (Indian Constitution Translation) করে নজির গড়লেন তিনি।

সামনেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। সেই নির্বাচনে দেশের শাসক দলের তুরুপের তাস আদিবাসী সমাজের দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁকেই এবার প্রার্থী করেছে এনডিএ। নির্বাচনের প্রাক্কালে বিশ্বের দীর্ঘতম, লিখিত ও জটিল সংবিধানকে নিজের মাতৃভাষা সাঁওতালীতে অনুবাদ ও অলচিকি হরফে লিখে নজীর সৃষ্টি করলেন আর বাঁকুড়ার (Bankura) এই আদিবাসী যুবক।

শ্রীপতি টুডু, বাঁকুড়ার খাতরার প্রত্যন্ত গ্রাম মুড়গ্রামের বাসিন্দা তিনি। পেশায় অধ্যাপক। ছোট থেকেই সংবিধানের প্রতি তাঁর গভীর টান। বিশেষত ভারতীয় সংবিধানে আদিবাসীদের অধিকার সম্পর্কে কী লেখা আছে তা জানার আগ্রহ ছিল। সেই আগ্রহের তাগিদ থেকেই সংবিধান পড়তে থাকেন তিনি। জানতে পারেন আদিবাসীদের নিয়ে কী লেখা আছে।

কিন্তু তখন তিনি উপলব্ধি করেন যে, একা তিনি জানচ্ছেন, তার মত যাঁরা আদিবাসী আছেন তাঁদের কাছে তো বোধগম্য নয় সংবিধান। তখন থেকেই অনুবাদের কাজ শুরু করেন শ্রীপতি। করোনা আবহে লকডাউনের সময় মানুষ যখন গৃহবন্দি, শ্রীপতি টুডু তখন সংবিধান অনুবাদে নিজেকে ডুবিয়ে রেখেছিলেন। তাঁর এই কাজের জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) কাছ থেকে প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি।

ভারতের মূল সংবিধানে মোট ২৪টি অংশে ৪৪৮টি ধারা, ১২টি তফসিল এবং ১১৩টি সংশোধনী যুক্ত রয়েছে। কিন্তু শ্রীপতি টুডুর সাঁওতালি ভাষায় অনুদিত সংবিধান কিছুটা হলেও সংক্ষিপ্ত, তবে প্রতিটি বিষয় তিনি সমান গুরুত্ব দিয়ে ছুয়ে গেছেন। ২০২২ সালে অনুবাদের কাজ শেষ হলে দিল্লির একটি নামী প্রকাশনা সংস্থা তা প্রকাশ করে। তা প্রকাশ পেতেই আদিবাসী সমাজে এই বিষয়টি যথেষ্ট আলোড়ন ফেলে।

ট্রেনের সামনে আচমকা ঝাঁপ মহিলার! শিমুরালিতে হইহই কাণ্ড, প্রাণ বাঁচলেও কাটা পড়ল হাত-পা

You might also like