Latest News

‘নীতির অবক্ষয়’, গোয়ায় ভোটের আগে বিজেপি ছাড়লেন বিধায়ক, যেতে পারেন আপে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিজেপি (bjp) ফের ধাক্কা (setback)খেল গোয়ায় (goa)। ফেব্রুয়ারিতে উত্তরপ্রদেশ, উত্তরাখন্ড, মনিপুর, পাঞ্জাবের মতো বিধানসভা নির্বাচন (poll) গোয়াতেও। কিন্তু তার দু মাস আগে গতকাল কংগ্রেসের তোলা যৌন কেলেঙ্কারি ও বিহার থেকে আসা এক যুবতীকে গর্ভপাত করতে বাধ্য করার অভিযোগে ইস্তফা দিয়েছেন নগরোন্নয়নমন্ত্রী মিলিন্দ নায়েক। আজ পদত্যাগ করলেন কর্টালিমের বিধায়ক (mla) আলিনা সালদানহা। গেরুয়া পার্টির ‘নীতির অবক্ষয়’ (principle) হয়েছে বলে উল্লেখ করে যোগাযোগ (resignation)ছিন্ন করলেন তিনি। লক্ষ্মীকান্ত পারসেকর সরকারের একমাত্র মহিলা মন্ত্রী আলিনা ২০১২য় স্বামী মাথানি সালদানহার মৃত্যুর পর বিধানসভায় নির্বাচিত হন। আলিনার দাবি, তাঁর স্বামী যে বিজেপিতে ছিলেন এবং তাঁর মৃত্যুর পর যে দলে তিনিও যোগ দিয়েছিলেন, সেই বিজেপি আর নেই। তারা যাবতীয় ন্যয়-নীতি ভুলে গিয়েছে বলে মনে হয়। রাজ্যে নৈরাজ্য চলছে।

গোয়া বিধানসভা ভোটে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে তৃণমূল। রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস কার্যকরী ভূমিকা পালন করছে না বলে অভিযোগ তাদের। ইতিমধ্যে কংগ্রেস ছাড়ার হিড়িক পড়েছে রাজ্যে। কিন্তু আলিনা কী করবেন? শোনা যাচ্ছে, তৃণমূল নয়, তিনি আমআদমি পার্টিতে (আপ) যেতে পারেন।

সম্প্রতি কংগ্রেসের বিধানসভায় শক্তি কমে হয়েছে ৩। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রবি নায়েক কংগ্রেস বিধায়ক পদ ছেড়ে বিজেপিতে ঢুকেছেন। নায়েকের ছোট ছেলে রয়ের দাবি, তিনিই বাবাকে বিজেপিতে যোগদানের পরামর্শ দেন। নায়েকের আগে আরেক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফেলেইরো তৃণমূলে সামিল হন। আরেক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা কংগ্রেস নেতা প্রতাপসিং  রানেও বিজেপিতে ঢুকতে পারেন বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। এনসিপির একমাত্র বিধায়ক চার্চিল আলেমাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক গোয়া সফরে তৃণমূলে নাম লিখিয়েছেন। পাশাপাশি কংগ্রেস, আপের একদল স্থানীয় নেতা, কর্মীও  ঘাসফুল শিবিরে যোগ দেন।

গোয়ায় বিজেপি-বিরোধী ভোট কার দখলে যায়, কংগ্রেস, আপ না টিএমসির, সেদিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের। আপ প্রচারে ঝড় তুলেছে দিল্লি মডেলে। তারা তৃণমূলের হাত ধরতে নারাজ বলে ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে। পাল্টা লিয়েন্ডার পেজ, লুইজিনহো ফেলেইরোর মতো প্রবীণ কংগ্রেসিকে দলে নিয়েছেন মমতা। কংগ্রেস আবার গোয়া ফরোয়ার্ড পার্টি, এনসিপি, এমজিবির মতো আঞ্চলিক দলগুলিকে নিয়ে বিজেপিকে ঠেকাতে চাইছে।

২০১৯ এ কংগ্রেসের ১৫ বিধায়কের ১০জনই আচমকা বিজেপিতে যোগ দিলে ৪০ সদস্যের গোয়া বিধানসভায় তাদের শক্তি বেড়ে হয় ২৭। ২০১৭র বিধানসভা নির্বাচনে যে কংগ্রেস একক বৃহত্তম দল হয়েছিল, তাদের শক্তি কমে হয় মাত্র ৫!

 

 

 

You might also like