Latest News

আদানিকে কত টাকা ধার দিয়েছে স্টেট ব্যাঙ্ক! কতই বা নিয়েছিল পিএনবির থেকে?

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আদানি শিল্পগোষ্ঠীতে বিনিয়োগ করেছে জীবন বিমা সংস্থা তথা এলআইসি। চলতি আদানি বিতর্কের মধ্যে সম্ভবত সেই কারণেই গত পাঁচ দিনে (বুধবার পর্যন্ত) এলআইসি-র ক্ষতি হয়েছে ৬৪ হাজার কোটি টাকা। আদানি শিল্প গোষ্ঠীকে (Adani Group) ঋণ দিয়েছে স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়াও (SBI)। এবার তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করে দিল।

সূত্রের দাবি, দেশের সবচেয়ে বড় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক তথা আর্থিক সংস্থা আদানি শিল্পগোষ্ঠীকে মোট ২.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ধার দিয়ে রেখেছে। সর্বোচ্চ যত টাকা ঋণ দেওয়া যায় তার অর্ধেক পরিমাণই ঋণ দিয়েছে স্টেট ব্যাঙ্ক। এর মধ্যে ২০০ মিলিয়ন ডলার স্টেট ব্যাঙ্ক তাদের বিদেশি শাখা থেকে দিয়েছে বলে খবর।

স্টেট ব্যাঙ্কের চেয়ারম্যান দীনেশ কুমার খাঁড়া বৃহস্পতিবার দাবি করেছেন, আদানি শিল্পগোষ্ঠী ঋণের টাকা ঠিক মতো শোধ করে চলেছে। সুতরাং এখনই কোনও সংকট তিনি দেখছেন না। তবে স্টেট ব্যাঙ্কের এ কথা শুনেই চুপ নেই রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। বৃহস্পতিবার রিজার্ভ ব্যাঙ্ক সমস্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ও বেসরকারি ব্যাঙ্ককে জানিয়েছে যে, আদানি শিল্পগোষ্ঠীকে কে কত ঋণ দিয়েছে, অর্থাৎ কার এক্সপোজার কত তা জানাতে হবে।

আদানি শিল্পগোষ্ঠীকে ঋণ দিয়েছে পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কও (PNB)। পিএনবি আদানি শিল্প গোষ্ঠীকে ঋণ দিয়েছে ৭ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে এয়ারপোর্ট ব্যবসার জন্য ঋণ দিয়েছে আড়াই হাজার কোটি টাকা। তবে পিএনবি-র সিইও অতুল গোয়েলও দাবি করেছেন, আদানি গোষ্ঠীকে দেওয়া ধার নিয়ে এখনও বিচলিত নন তাঁরা। এ ব্যাপারে উদ্বেগের কারণ নেই বলেই তাঁর দাবি।

তবে অনেকের মতে, স্টেট ব্যাঙ্ক বা পিএনবি কেউই এখন ঝুঁকির কথা বলবে না। কারণ, তাতে বাজারে তাদের শেয়ার চাপের মধ্যে পড়তে পারে। বরং এ বিষয়ে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক কী ধরনের পদক্ষেপ করে সেদিকে নজর রাখতে হবে।
এদিন আদানি বিতর্কের কথা মুখে না আনলেও এ ব্যাপারে সতর্কবার্তা শুনিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদী সরকারকে নিশানা করে তিনি বলেন, “এরা ব্যাঙ্ক, এলআইসি তুলে দেবে। আগামী দিনে আপনার আমানতের টাকা ফেরত পাবেন না। এলআইসির টাকা ফেরত পাবেন না। ব্যাঙ্কের টাকা ফেরত পাবেন না। ভেবে দেখুন। দেশটাকে ওরা বেচে দিচ্ছে”।

আদানির শেয়ারে রক্তক্ষরণ অব্যাহত, ক্ষতির পরিমাণ ১০০ বিলিয়ন ডলার ছাড়াল

You might also like