Latest News

স্কুলের ভিতর শিক্ষিকার সাধ, নেমন্তন্ন না পাওয়া দিদিমণিদের হুলুস্থূল, অজ্ঞান বড় দিদিমণি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ‘সাধ জাগে মনে, পর জীবনে…!’

কিন্তু এ সাধ সে সাধ নয়। এ সাধের জন্য সাধাসাধি না করায় গোল বাঁধল স্কুলে। অজ্ঞান হলেন বড়দিদিমণি।

ব্যাপার কী?

হুগলির (Hooghly) শ্রীরামপুরের মাহেশ পরমেশ্বরী বালিকা বিদ্যালয়ের এক সহ শিক্ষিকা সন্তানসম্ভাবা। গত বুধবার উচ্চমাধ্যমিক চলার মধ্যেই স্কুলের টিচার্স রুমে ওই শিক্ষিকাকে থালা সাজিয়ে সাধ দেন দিদিমণিদের কয়েকজন। নেমন্তন্নের সেই তালিকা থেকে বাকি দিদিমণিরা। তাঁরাই পরের দিন প্রধান শিক্ষিকা মিঠু মৈত্রের ঘরে নালিশ জানাতে যান। একই স্কুলে কেন তাঁদের বাদ দিয়ে সাধ খাওয়ানো হল, জবাব চান তাঁরা। পাল্টা বড়দিদিমণির ঘরে যান সাধের আয়োজন করা সহ শিক্ষিকারাও। এক কথা, দু’কথায় বড়দিদিমণির ঘর তখন যেন কলতলা। পরিস্থিতি এমন হয় যে দু’দল দিদিমণির তুমুল ঝগড়ায় জ্ঞান হারান প্রধান শিক্ষিকা।

খবর পেয়ে সেদিনই ঘটনাস্থলে পৌঁছন শ্রীরামপুর পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর তথা স্কুল পরিচালন সমিতির সভাপতি তিয়াসা মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “খবর পাওয়ার পর আমি স্কুলে গিয়ে দেখি বড়দির হাত কাঁপছে। তাঁর প্রেসার বেড়ে গেছে। এধরনের ঘটনা কখনই বাঞ্ছনীয় নয়। স্কুলে মিটিং করে একটা কড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মাহেশে এত ভাল একটা স্কুলে পরিবেশ নষ্ট করতে দেওয়া যাবে না।” ঘটনায় অভিযুক্ত সহ শিক্ষিকাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কেউ মুখ খুলতে চাননি।

আর বড়দি মিঠু মৈত্র জানাচ্ছেন, এই প্রথম নয়। এর আগেও একবার এক শিক্ষিকাকে আইবুড়ো ভাত খাওয়ানো নিয়ে ঝামেলা হয়েছিল। তাঁর কথায়, “এর আগেও একজন শিক্ষিকাকে আইবুড়ো ভাত খাওয়ানো নিয়ে গণ্ডগোল হয়েছিল। তাই আমাকে সাধের কথা বললেও আমি তাতে অংশগ্রহণ করিনি। ২০০২ সাল থেকে স্কুলে আছি, কোনও দিন এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। সেদিন এমন পরিস্থিতি হল যে, স্কুলে আসতে ভয় পাচ্ছি।” গোটা ঘটনায় স্কুলে পড়াশোনার পরিবেশ নিয়েই প্রশ্ন উঠে গিয়েছে অভিভাবক মহলে।

এক বাড়িতে পাঁচ সদস্যের মাথায় আঘাত! তদন্তে পুলিশ

You might also like