Latest News

ভবানীপুর ভোট মামলায় রায়দান স্থগিত, কমিশন বল ঠেলল নবান্নের কোর্টে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভবানীপুর (bhawanipore) বিধানসভা উপনির্বাচন নিয়ে করা জনস্বার্থ মামলার শুনানি শেষ রায়দান স্থগিত রাখল ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি রাজেশ বিন্দলের ডিভিশন বেঞ্চ (highcourt)। জানাল, তারা নির্বাচন কমিশনের হলফনামায় সন্তুষ্ট নয়। নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী পাল্টা দাবি করেন, বিষয়টি সম্পর্কে মুখ্যসচিব বলতে পারবেন।

কমিশনের বিবৃতিতে লেখা হয়েছিল, ভবানীপুরে ভোট না হলে সাংবিধানিক সংকট হবে। এই বাক্য নিয়ে গতকালই প্রশ্ন তুলেছিল আদালত। উচ্চ আদালতের বিচারপতি জানতে চেয়েছিলেন, এই লাইন কি কমিশনই লিখেছে? নাকি এটা মুখ্যসচিবের লাইন? এই নিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) কাছে হলফনামাও তলব করে কলকাতা হাইকোর্ট। তাতেই আজ অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে আদালত।

রাজ্য সরকারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করল হাইকোর্ট

এদি আদালতের প্রধান বিচারপতি জানান, “নির্বাচন কমিশনের কাছে আমি জানতে চেয়েছিলাম আপনারা সাংবিধানিক সংকট বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করেছেন সে বিষয়ে আপনাদের মতামত কি। কিন্তু আপনারা হলফনামায় তা উল্লেখ করেননি।”

নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী এ নিয়ে দাবি  করেন, বিষয়টি সম্পর্কে মুখ্যসচিব বলতে পারবেন।

বিচারপতি তখন পাল্টা প্রশ্ন তোলেন, “কেন মুখ্যসচিব বলবেন, আপনারা তো বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন! আপনাদের কাছ থেকে আদালত যা জানতে চেয়েছিল তা সঠিক উত্তর পেল না।” 

আদালত মনে করিয়ে দেয়, দেশের ৪১টি বিধানসভা কেন্দ্রে এই মুহূর্তে কোনও বিধায়ক নেই। হয় পদত্যাগ করেছেন নয় মারা গেছেন বা অন্য কোনও কারণ। প্রধান বিচারপতির প্রশ্ন, তাহলে কি দেশের সেই ৪১টি কেন্দ্রেই সাংবিধানিক সংকট রয়েছে! তা যদি না হয়, তাহলে ভবানীপুরের ক্ষেত্রে বিষয়টি আলাদা কেন!

এছাড়াও ভবানীপুরের পদত্যাগী বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে কার্যত তুলোধোনা করে আদালত। প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, ভবানীপুর বিধানসভায় এক জয়ী প্রার্থী কোনও কারণ ছাড়া কেন ইস্তফা দিলেন!

এর পরেই রায়দান স্থগিত ঘোষণা করা হয় আদালতে।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা ‘সুখপাঠ’

You might also like