Latest News

হাসান আজিজুল হকের শেষ দিনগুলো কেমন ছিল, জানালেন প্রিয়জনেরা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস কমিউনিকেশন ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ও পরিচালক সাজ্জাদ বকুলও নিয়মিত হাসান আজিজুল হককে সঙ্গ দিতেন। বাইরে গেলেও সঙ্গে যেতেন। ২০১৯ সালের ২৫ মার্চ স্বাধীনতা পুরস্কার পান এই লেখক। ঢাকায় সেই পুরস্কার নিতে তাঁর সঙ্গে গিয়েছিলেন সাজ্জাদ বকুল। তিনিও প্রথম আলোকে জানিয়েছেন, সেটিই ছিল হাসান স্যারের ঢাকায় কোনও অনুষ্ঠানে শেষ যাওয়া।

তবে মহেন্দ্রবাবুর মতোই সাজ্জাদবাবুও কোভিডের কারণে তাঁর বাড়ি যাওয়া কমিয়ে দিলে হকসাহেব রেগে গিয়ে তাঁকে বলতেন, ‘তুমি গেটে এসে আমাকে ফোন দেবে। কেউ ঢুকতে না দিলে আমি নিজে উঠে গিয়ে তোমাকে নিয়ে আসব।’রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার চত্বরে ফুল দিয়ে হাসান আজিজুল হকের শ্রদ্ধা নিবেদনআসলে, মানুষের সঙ্গ চাইতেন তিনি। আড্ডা মারতে চাইতেন। কোভিড কেড়ে নিয়েছিল সেই সুযোগ, তাতেই বড় প্রভাব পড়ল মানসিক স্বাস্থ্যে। মনের অসুখের হাত ধরেই এল নানা শারীরিক জটিলতা।

অথচ হাসান আজিজুল হক বলতেন, ‘যত দিন বেঁচে আছি, তত দিন কিছুতেই মরব না।’ নিজের এই কথা আর রাখা হল না তাঁর। শেষ কয়েক মাস নিঃসঙ্গতা আর বিষণ্ণতায় ডুবে গেলেন তিনি। প্রিয় মানুষদের স্পর্শের অভাবে ক্রমেই যেন গুটিয়ে গেলেন মৃত্যুর সুড়ঙ্গে।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা সুখপাঠ

You might also like