Latest News

Hardik Patel: হার্দিকের টুইটারে উধাও দলীয় পদ, প্রতীক, কংগ্রেস ছাড়লে গন্তব্য বিজেপি নাকি আপ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিন সাতেক আগে ফোঁস করেছিলেন। বলেছিলেন, রাজ্য কংগ্রেসের (Congress) কার্যকরী সভাপতি হওয়া সত্ত্বেও দলের অনেক সিদ্ধান্তই জানতে পারছেন না। তারপর অবশ্য বরফ খানিক গলেছিল।

সোমবার ফের নাটকীয় পদক্ষেপ করলেন গুজরাতের পতিদার নেতা তথা প্রদেশ কংগ্রেসের কার্যকরী সভাপতি হার্দিক প্যাটেল (Hardik Patel)। নিজের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে দলীয় পদ ও প্রতীক সরিয়ে দিয়েছেন তিনি। পরিচয়ের জায়গায় লিখেছেন, আমি একজন গর্বিত দেশপ্রেমিক। নিজেকে সমাজ কর্মী বলেও উল্লেখ করেছেন।

আরও পড়ুন: ইদের আগের দিন শান্তির বার্তা রাজের, গ্রেফতারের ভয়ে হনুমান চালিশা নিয়েও পিছু হটলেন

বছর আঠাশের এই নেতাকে নিয়ে গত কয়েক মাস ধরে জল্পনা চলছে ভোটমুখি গুজরাতে (Hardik Patel)। সপ্তাহ দেড় আগে সাংবাদিকদের কাছে বিজেপির ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তিনি। বলেন, বিজেপির কোনও রাখঢাক গুড়গুড় নেই। ওরা হিন্দুদের স্বার্থরক্ষার কথা প্রকাশ্যে বলে। আমিও তো একজন হিন্দুত্ববাদী নেতা। লব-কুশের বংশধর।

আর কয়েকমাস পর গুজরাতে বিধানসভার ভোট। ভোটের বাদ্যি বাজিয়ে দিয়েছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। অন্যদিকে, নির্বাচনকে সামনে রেখে শুরু হয়ে গিয়েছে দল ভাঙানোর খেলা। যেমনটি হয়েছিল গত বছর বাংলার বিধানসভা ভোটের আগে।

রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, হার্দিক কি তবে কংগ্রেস ছাড়ছেন? ছাড়লে গন্তব্য বিজেপি নাকি আম আদমি পার্টি?

গত সপ্তাহে হার্দিকের বাবার মৃত্যুবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গুজরাত কংগ্রেসের প্রথম সারির সব নেতাই হাজির ছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল এটাই বোঝানো যে দলে তিনি ব্রাত্য নন।

কংগ্রেসের একাংশ মনে করছেন, হার্দিক চাপ তৈরির খেলা খেলছেন। চাইছেন, কংগ্রেস তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী প্রার্থী ঘোষণা করুক। সেই আশা পূরণ না হলে বিকল্প হল দলত্যাগ। হার্দিক নিজেই তাই কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্ব তৈরির চেষ্টা শুরু করেছেন প্রয়োজনে চূড়ান্ত বিচ্ছেদ ঘোষণার আগে। সেক্ষেত্রে তিনি বিজেপিতে যেতেই পারেন। আবার অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আপেও যোগ দিতে পারেন। বিজেপির সঙ্গে আপের রাজনীতির মৌলিক কোনও ফারাক নেই। দুই দলই হিন্দুত্ববাদী রাজনীতির শরিক। বিজেপির মতো কথায় কথায় দেশপ্রেম, জাতীয়তাবাদকে অস্ত্র করে থাকে আপও।

রবিবার গুজরাত সফরে গিয়েছিলেন আপ প্রধান কেজরিওয়াল। সেখানে ভারতীয় ট্রাইবাল পার্টি নামে একটি আঞ্চলিক ছোট দলের সঙ্গে আপের নির্বাচনী জোটের কথা ঘোষণা করেন কেজরিওয়াল। জনসভা থেকে বিজেপিকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, গুজরাত এবার আপের। কিন্তু এখনও গুজরাতে আপের ঝুলিতে পাঞ্জাবের ভগবৎ সিং মানের মতো কেউ নেই যাকে দলের মুখ হিসাবে তুলে ধরা যায়। হার্দিক সেই অভাব পূরণ করতে পারেন, অনেকেই মনে করছেন। এখন পতিদার নেতার মনে কী আছে অল্পদিনের মধ্যেই তা স্পষ্ট হবে। ভোট দুয়ারে কড়া নাড়ছে। কোনও অঘটন না ঘটলে ডিসেম্বরে ভোট।

You might also like