Latest News

Gurung : চারদিনে কাহিল গুরুং, তবুও অনশন চালিয়ে যাওয়ার বার্তা মোর্চা সুপ্রিমোর

দ্য ওয়াল ব্যুরো : চারদিনের অনশনে রীতিমতো কাহিল অবস্থা (Gurung)। একা উঠে বসারও ক্ষমতা নেই। অনশন প্রত্যাহারের আবেদন জানাতে এসেছিলেন অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ ও আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্রমন্ত্রী বুলু চিক বরাইক। তবুও অবস্থানে অনড় বিমল গুরুং (Gurung)। সরকারিভাবে রাজ্যের পক্ষে কোনও বার্তা না এলে অনশন চালিয়ে যাবেন বলেই জানিয়ে দিলেন মোর্চা সুপ্রিমো।

পাহাড়ে তাঁর পায়ের তলার মাটি এখন মোটের উপর নড়বড়ে। আগের ক্যারিশমার বেশিটাই ফিকে। তাই হারানো মাটি ফিরে পাওয়ার জন্য এই অনশন গুরুং (Gurung)-এর ঘুরে দাঁড়ানোর মরিয়া চেষ্টা বলেই মনে করছে পাহাড়ের রাজনৈতিক মহল। তাই পাহাড়ি রাজনৈতিক দল হামরো পার্টি বা ভারতীয় গোর্খা সুরক্ষা পরিষদের সুপ্রিমোরা তাঁর সঙ্গে দেখা করলেও রাজ্যের পক্ষ থেকে যতক্ষণ কোনও যোগাযোগ স্থাপন করা হচ্ছে, ততক্ষণ অনশন চলবে বলে জানিয়েছেন তিনি। বিমলের শারীরিক পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে দলীয় কর্মীরা তাঁকে অনশন ভাঙার অনুরোধ করলেও মাটি কামড়ে গুরুং।

বুধবার থেকে জিটিএ নির্বাচনের বিরোধিতা করে দার্জিলিংয়ের সিংমারির দলীয় কার্যালয়ের সামনে অস্থায়ী ধর্নামঞ্চে আমরণ অনশনে বসেছেন বিমল গুরুং। শনিবার অনগ্রসর শ্রেণি কল্যাণ ও আদিবাসী উন্নয়ন দফতরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী বুলু চিক বরাইক দেখা করতে যান বিমল গুরুংয়ের সঙ্গে। মোর্চার কর্মীরা তখন কোনওমতে গুরুংকে টেনে তুলে বসিয়ে দেন। প্রায় আধঘন্টার উপর সময় কাটান তার সঙ্গে। বুলু চিক বরাইক তাঁকে অনশন তুলে নেওয়ার অনুরোধ জানালেও মানতে নারাজ বিমল গুরুং। 

বুলু চিক বরাইক জানান, বিগত বিধানসভা নির্বাচনের সময় রাত দিন এক করে বিমল গুরুং নির্বাচনে তাঁর পাশে ছিলেন। তার সঙ্গে একরকম পারিবারিক সম্পর্ক তাঁর। বহু দিনের পরিচিতি। তাই তাঁর সঙ্গে দেখা করতে আসা।  অনশন তুলে নেওয়ার অনুরোধ করা। তবে তিনি রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এসেছেন কি না সেই প্রসঙ্গে তিনি জানান, গুরুংয়ের সঙ্গে পুরনো সম্পর্কের জন্যই এসেছেন।

বিমলের অনশন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি জায়গা মতো কথা বলব। যেহেতু নির্বাচনের দিনক্ষণ জারি হয়ে গিয়েছে, নির্বাচনী বিধিনিষেধ লাগু হয়ে গিয়েছে , সুতরাং দাবি দাওয়া নিয়ে এই মুহূর্তে কথা বলা সম্ভব না।”

মন্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথাবার্তার পরেও অনশন ভাঙতে নারাজ গুরুং। তাঁর দাবি, সরকারি ভাবে যতক্ষণ না কোনও চিঠি আসছে, বা রাজ্যের উচ্চপদস্থ মন্ত্রী বা আধিকারিকরা এসে কথা বলছেন ততক্ষণ অনশনেই থাকবেন তিনি। মোর্চার কেন্দ্রীয় কমিটিও চাইছে গুরুং অনশন তুলুন। নইলে মুখ পুড়ছে। পাশে কেউ নেই। কেউ না।

আরও পড়ুন : মুসলিমদের কোণঠাসা করতে জৈন, শিখ, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানদের কাছে টানছে হিন্দুত্ববাদীরা

You might also like