Latest News

প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবন নির্মাণ শেষ হওয়ার সময়সীমা স্থির করে দিল কেন্দ্র

দ্য ওয়াল ব্যুরো : দেশ জুড়ে কোভিড সংকটের মধ্যেই দিল্লিতে এগিয়ে চলেছে সেন্ট্রাল ভিস্টা প্রকল্পের কাজ। অতিমহামারীর মধ্যেই ওই প্রকল্পকে ছাড় দিয়েছে পরিবেশ মন্ত্রক। ওই প্রকল্পকে অত্যাবশ্যক তালিকার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে লকডাউনের মধ্যেও চলছে তার কাজ। সোমবার জানা গেল, কেন্দ্রীয় সরকার স্থির করেছে, ওই প্রকল্পে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন নির্মাণের কাজ শেষ করা হবে ২০২২ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে।

আগামী বছরের ডিসেম্বরের মধ্যেই তৈরি হয়ে যাবে স্পেশাল প্রোটেকশান গ্রুপের সদর দফতর এবং এক্সিকিউটিভ এনক্লেভ। আগামী বছরের মে মাসের মধ্যে তৈরি হবে উপরাষ্ট্রপতির বাসভবন। এই প্রকল্পগুলির খরচ ১৩ হাজার ৪৫০ কোটি টাকা। তাতে কাজ করবেন ৪৬ হাজার মানুষ।

গত এপ্রিলের শেষে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সরকারকে কটাক্ষ করে বলেন, সেন্ট্রাল ভিস্টা প্রকল্প আবশ্যক নয়। সরকারের বিচারবুদ্ধি থাকা আবশ্যক। এর আগেও বিরোধীরা ওই প্রকল্পের কড়া সমালোচনা করেছেন। বিশেষত কোভিড পরিস্থিতিতে অত ব্যয়বহুল একটি প্রকল্প চালিয়ে যাওয়ার আদৌ প্রয়োজন আছে কিনা, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে।

রাষ্ট্রপতির বাসভবন রাইসিনা হিলস থেকে ইন্ডিয়া গেট। রাজধানীর প্রায় তিন কিলোমিটার জায়গা জুড়ে নতুন সংসদ ভবন ও আরও কয়েকটি সরকারি অফিস নির্মাণের পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তারই নাম সেন্ট্রাল ভিস্টা প্রজেক্ট।

এর মধ্যে জানা গিয়েছে, নতুন সংসদ ভবনটি হবে ত্রিকোণাকৃতি। বর্তমান সংসদ ভবনের কাছেই তা তৈরি হবে। সরকার জানিয়েছে, পার্লামেন্ট হাউস এস্টেটের প্লট নাম্বার ১১৮-তে নতুন ভবনটি গড়ে উঠবে। বর্তমান সংসদ ভবনটি ব্রিটিশ আমলে তৈরি হয়েছিল। তাঁর আকৃতি গোলাকার। ভারতের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ভবনগুলির মধ্যে পার্লামেন্ট ভবন অন্যতম। এই ভবনটি মেরামত করা হবে। তারপর তা ব্যবহৃত হবে অন্য কাজে।

১৯২১ সালে বর্তমান পার্লামেন্ট ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হয়। তা সম্পূর্ণ হতে লাগে ছ’বছর। ১৯৫৬ সালে তাতে দু’টি তলা নির্মাণ করা হয়।

চলতি বছরের শুরুতে সরকার জানায়, বর্তমান সংসদ ভবনটি অতি ব্যবহারে জীর্ণ হয়ে পড়েছে। তাছাড়া নির্বাচনী ক্ষেত্রগুলি ঢেলে সাজানোর পরে আরও বেশি সংখ্যক এমপি নির্বাচিত হবেন। বর্তমান সংসদ ভবনে বেশি সংখ্যক সাংসদের বসার ব্যবস্থা নেই।

You might also like