Latest News

পাহাড়-তরাই-ডুয়ার্সে আন্দোলন নয়, গোর্খাল্যান্ডের দাবিতে মোর্চার বিক্ষোভ হবে দিল্লিতে

দ্য ওয়াল ব্যুরো, শিলিগুড়ি: গোর্খাল্যান্ডের (Gorkhaland) দাবিতে আন্দোলন হবে। তবে আর পাহাড়ে আন্দোলন করবে না গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা (GJM)। শুক্রবার এমনই জানালেন দলের সাধারণ সম্পাদক রোশন গিরি। পাহাড়, সমতল ছেড়ে দিল্লিকেন্দ্রিক আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিলেন রোশন।

শুক্রবার শিলিগুড়ির দাগাপুরের দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। সেখানে রোশন গিরি জানান, জিটিএ ত্রিপাক্ষিক চুক্তি থেকে জিজেএমএম সমর্থন তুলে নিচ্ছে। তিনি তাঁর সইও ফিরিয়ে নিচ্ছেন। এ নিয়ে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি পাঠাচ্ছেন। ২০১১ সালে তৎকালীন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পি চিদম্বরম, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার প্রতিনিধি হিসেবে জিটিএ চুক্তিতে সই করেছিলেন রোশন। তারপর দার্জিলিংয়ে অনেক তুষারপাত হয়েছে। বিজেপি ও তৃণমূলের সঙ্গে কখনও সুসম্পর্ক, আবার কখনও তাতে ফাটল দেখা দিয়েছে। এবার জিটিএ-র ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যই সবকিছু ঠিক করবে বলে জানান রোশন।

তবে গোর্খাল্যান্ডের দাবি রয়েছে তা স্পষ্ট করেছেন। রোশন গিরি বলেন, “জাতীয় কমিটি তৈরি হয়েছে। সেখানে অজয় এডওয়ার্ডের হামরো পার্টি রয়েছে। বিনয় তামাং, প্রদীপ প্রধানের সমর্থন রয়েছে। পাহাড়, তরাই, ডুয়ার্সে কোনও বিক্ষোভ হবে না। দিল্লিতে গিয়ে আন্দোলন করব।” একসময় অশান্তির জেরে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল পাহাড়। অভিযোগ দায়ের হওয়ায় বিমল গুরুং, রোশন গিরিদের গা-ঢাকা দিতে হয়েছিল। পরে অবশ্য আবারও পাহাড়ে ফিরেছেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার ওই দুই নেতা। যদিও জিটিএ বা দার্জিলিং পুরসভার ভোটে বিমল গুরুংয়ের সেই প্রভাব দেখা যায়নি।

রোশন গিরি বলেন, “২০০৯-২০২০ পর্যন্ত বিজেপিকে সমর্থন করেছি। তারা প্রতিশ্রুতি দিলেও কিছু করেনি। এনডিএ-র শাসনকালে আমরা কিছু পাইনি। ২০২৪ পর্যন্ত ওরা ক্ষমতায় থাকবে। আশা করি ভাল কিছু হয়তো হবে। আমরা মমতা বন্দ্যোপাদ্যায়ের সরকারের উপরও ভরসা করেছিলাম। মেমোরেন্ডাম অফ এগ্রিমেন্ট অ্যান্ড অ্যাক্ট ঠিকমতো চালু করার আবেদন জানিয়েছিলাম। জিটিএর মধ্যে শিলিগুড়ি, তরাই, ডুয়ার্সের মৌজার অন্তরভুক্তির আবেদন ছিল। কিন্তু কিছুই হয়নি।”

এনিয়ে শিলিগুড়ি পুরসভার মেয়র গৌতম দেব বলেন, “গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা এখন অপ্রাসঙ্গিক। তৃণমূল মানুষের সমর্থন নিয়ে কাজ করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পাহাড়ে উন্নয়ন হয়েছে, শান্তি ফিরেছে।” রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সিপিএম নেতা অশোক ভট্টাচার্য বলেন, “চুক্তিতে সই করে প্রত্যাহার করে নিলাম এটা হয় না। তবে জিটিএ-কে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া উচিত।”

পদ্মশ্রী প্রীতিকণা! নকশিকাঁথার ফোঁড়েই স্বপ্নপূরণ, দেখুন ভিডিও

You might also like