Latest News

অ্যান্টিগুয়ায় নিখোঁজ মেহুল চোকসি, জানালেন তাঁর আইনজীবী

দ্য ওয়াল ব্যুরো : ভারত থেকে পালিয়ে অ্যান্টিগুয়া ও বারবুডায় আশ্রয় নিয়েছিলেন পিএনবি কেলেংকারিতে অভিযুক্ত ব্যবসায়ী মেহুল চোকসি। কিছুদিন ধরে শোনা যাচ্ছিল, সেই দ্বীপরাষ্ট্রেও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না তাঁকে। এবার তাঁর আইনজীবী বিজয় আগরওয়াল জানালেন, তাঁর মক্কেল নিখোঁজ হয়েছেন। মেহুল চোকসিকে ভারতে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে সিবিআই এবং এনফোর্সমেন্ট ডায়রেক্টরেট।

সংবাদ সংস্থায় সাক্ষাৎকার দিয়ে বিজয় আগরওয়াল বলেন, “মেহুল চোকসি নিখোঁজ হয়েছেন। তাঁর পরিবারের লোকজন উদ্বিগ্ন। তাঁরা আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন।” মেহুল চোকসির নিখোঁজ হওয়া নিয়ে তদন্ত করছে অ্যান্টিগুয়া পুলিশ। বিজয় আগরওয়ালের দাবি, অভিযুক্ত ব্যবসায়ী এখন কোথায় আছেন, তা তাঁর পরিবারেরও জানা নেই।

একটি সূত্রে খবর, সোমবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান মেহুল চোকসি। তিনি ওই দ্বীপরাষ্ট্রের দক্ষিণে অবস্থিত একটি রেস্তোরাঁয় নৈশভোজ সেরেছিলেন। তার পর থেকেই তাঁর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাঁর গাড়িটি পাওয়া গিয়েছে জলি হারবার অঞ্চলে। গাড়িটি ফাঁকা অবস্থায় রাস্তার ধারে পড়েছিল।

দুর্নীতির দায়ে মেহুল চোকসিকে বন্দি করে ভারতে আনার চেষ্টা চলছে। কিছুদিন আগে শোনা যায়, তাঁর অ্যান্টিগুয়ার নাগরিকত্ব খারিজ করা হয়েছে। পরে বিজয় আগরওয়াল বলেন, একথা ঠিক নয়। এর আগে অ্যান্টিগুয়ার প্রধানমন্ত্রী গ্যাস্টন ব্রাউনি বলেন, আইনি লড়াই শেষ হলেই মেহুল চোকসির নাগরিকত্ব খারিজ করা হবে। তারপরে তাঁকে পাঠানো হবে ভারতে।

৬১ বছর বয়সী মেহুল চোকসি সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন, তিনি নির্দোষ। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাঁকে ফাঁসানো হচ্ছে।

গতবছর রিজার্ভ ব্যাঙ্ক ৫০ জন ঋণখেলাপির একটি তালিকা প্রকাশ করে। সেই তালিকায় সকলের ওপরে আছে হিরে ব্যবসায়ী মেহুল চোকসির নাম। তাঁর কোম্পানি গীতাঞ্জলী জেমসের নামে ৫৪৯২ কোটি টাকা ঋণ নেওয়া হয়েছিল। চোকসির অপর দু’টি কোম্পানিও ঋণ নিয়েছিল বিপুল পরিমাণে। তার মধ্যে গিলি ইন্ডিয়া ঋণ নিয়েছিল ১৪৪৭ কোটি টাকা। নক্ষত্র ব্র্যান্ডস নিয়েছিল ১১০৯ কোটি টাকা। আরইআই অ্যাগ্রো নামে একটি সংস্থা ৪৩১৪ কোটি ও উইনসাম ডায়মন্ডস কোম্পানি ৪০৭৬ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছিল।

ঋণখেলাপিদের তালিকার ন’নম্বরে আছে বিজয় মাল্যর কিংফিশার এয়ারলাইন্সের নাম। তার নেওয়া ঋণের পরিমাণ ১৯৪৩ কোটি টাকা। ফর এভার প্রেশ্যাস জুয়েলারি অ্যান্ড ডায়মন্ডস প্রাইভেট লিমিটেড ঋণ নিয়েছিল ১৯৬২ কোটি। ডেকান ক্রনিকল হোল্ডিং লিমিটেড ঋণ নিয়েছে ১৯১৫ কোটি।

You might also like