Latest News

‘শুধু পিএফআই নয়, আরএসএস-কেও নিষিদ্ধ করতে হবে’, লালুর মন্ত্যবে তুঙ্গে তরজা, আসরে বিজেপি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শুধু পিএফআই-কে(PFI) কেন, নিষিদ্ধ (ban) করতে হবে আরএসএসকে (RSS)। সাফ কথা লালু প্রসাদ যাদবের (Lalu Prasad Yadav)।

বিহারের (Bihar) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্য ঘিরে তরজায় জড়িয়েছে বিজেপি ও আরজেডি।

উগ্র ইসলামিক সংগঠন পিএফআইয়ের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যবস্থা গ্রহণ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির মধ্যে সিপিএম ও লালুপ্রসাদের দল আরজেডির প্রতিক্রিয়ায় ফারাক আছে। প্রথম সারির বেশিরভাগ দল কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত সমর্থন করেছে অথবা মুখ খোলেনি।

সিপিএম বলেছে, কোনও দল বা গোষ্ঠীকে নিষিদ্ধ করে কোনও লাভ হয় না। অতীতে আরএসএস এবং মাওবাদীদের নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। কিন্তু তারা ভিন্ন নামে কাজ চালিয়ে গিয়েছে।

সিপিএম পলিটব্যুরো পিএফআই-কে নিষিদ্ধ করার প্রসঙ্গে আরএসএস ঘনিষ্ঠ দুটি সংগঠনের নাম করেছে যারা বুদ্ধিজীবী খুনের সঙ্গে যুক্ত বলে তাদের অভিযোগ। এই ভাবে পিএফআইয়ের প্রসঙ্গে আরএসএসের নাম জুড়ে দিয়ে তারা দেখাতে চেয়েছে এই ধরনের সংগঠন একই মুদ্রার দুই পিঠ।

লালুপ্রসাদ অবশ্য কোনওরকম রাখঢাক না করে খোলাখুলি বলেছেন, যে অভিযোগে পিএফআই-কে নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সেই একই কারণে আরএসএস-কেও ব্যান করা উচিত। আরএসএস একটি সাম্প্রদায়িক দল। বিভেদ, বিভাজন তৈরি করাই তাদের উদ্দেশ্য।

লালুপ্রসাদের এই মন্তব্যের প্রতিবাদে সরব হয়েছে গেরুয়া শিবির। বিহার বিজেপির মুখপাত্র বলেছেন, লালুপ্রসাদ একজন রাজনৈতিক আতঙ্কবাদী। বিহারের এই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সম্পর্কে এতটা কড়া কথা এর আগে বলেনি বিজেপি। তাদের পাল্টা বক্তব্য, পিএফআইয়ের কার্যকলাপের সঙ্গে আরজেডির রাজনৈতিক সন্ত্রাসের কোনও ফারাক নেই। নীতীশ কুমার আরজেডির হাত ধরে সরকার গড়তেই বিহারে জঙ্গলরাজ ফিরে এসেছে।

বিহারে বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী গিরিরাজ সিং বলতে গেলে লালুপ্রসাদের দিকে কামান তাক করেই রাখেন। গতকাল লালুপ্রসাদ পিএফআই এবং আরএসএসকে এক বন্ধনীতে রেখে বিবৃতি দিতেই আসরে অবতীর্ণ হন গিরিরাজ। তিনি বলেন, আরএসএসের একজন স্বয়ং সেবক হওয়ায় আমি গর্বিত। লালুজি বলুন আপনি কি পিএফআই-এর সদস্য?

রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে লালু প্রসাদ এবং বিজেপি, দু পক্ষই ধর্মীয় মেরুকরণের অঙ্ক মাথায় রেখে পিএফআই এবং আরএসএস-কে সামনে রেখে আসরে নেমেছে।

প্রসঙ্গত, এই পর্বে পিএফআইয়ের বাড়বাড়ন্ত সামনে আসে বিহারের ফুলওয়ারি শরিফে রাজ্য পুলিশের অভিযান থেকে। গত জুলাইয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পাটনা সফরের সময় অদূরে ফুলওয়ারি শরিফ থেকে বিহার পুলিশ ২৬ জন পিএফআই ক্যাডারকে গ্রেফতার করে। তাদের কাছ থেকে সূত্র পেয়েই গোটা দেশে অভিযান এবং শেষ পর্যন্ত পিএফআইকে নিষিদ্ধ করার পথে এগোল কেন্দ্রীয় সরকার।

সনিয়ার কাছে আজ ‘ বিদ্রোহী ‘ গেহলট, আলোচ্য কংগ্রেস সভাপতি, রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী

You might also like