Latest News

‘সাঁইবাড়ি থেকে সন্দেশখালি’ বাংলার রাজনৈতিক গণহত্যা নিয়ে বিজেপি নেত্রীর ছবি ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সিপিএম এবং তৃণমূল আমলের বিভিন্ন গণহত্যা ও রাজনৈতিক অশান্তি নিয়ে তৈরি ছবি (film) দেখানো হবে গোয়া ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে। সাঁইবাড়ি, আনন্দমার্গীদের হত্যা, নন্দীগ্রাম, সিঙ্গুর, খাগড়াগড়, ধুলাগড়, ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত ভোটের সময়ের হিংসার ঘটনারই নাট্যরূপ ‘সাঁইবাড়ি থেকে সন্দেশখালি।’সাঁইবাড়ি হত্যাকাণ্ড থেকে সন্দেশখালি পর্যন্ত সিপিএম এবং তৃণমূল সরকারের আমলে ঘটা বিভিন্ন হত্যাকান্ড ও রাজনৈতিক অশান্তি নিয়ে তৈরি ছবিটি আদপে একটি ডক্যু-ফিচার। যার পরিচালক বিজেপি মহিলা মোর্চার নেত্রী তথা রাজ্য বিজেপির সম্পাদক সঙ্ঘমিত্রা চৌধুরি।ডক্যু ফিচারটিতে যেমন রয়েছে সিপিএম আমলের বিভিন্ন গণহত্যার ঘটনা, তেমনই তৃণমূল আমলেরও এইপর্যন্ত ঘটে যাওয়া বিভিন্ন হিংসাত্মক ঘটনার চিত্র। তাই মরিচঝাঁপি, আনন্দমার্গী নিধন, বানতলা গণধর্ষণ, সিঙ্গুর, নন্দীগ্রামের পাশাপাশি খাগরাগড়, কালিয়াচক, ধুলাগড়, পঞ্চায়েত ভোটের হিংসার ঘটনাও চিত্রায়িত হয়েছে। রয়েছে সন্দেশখালির গণহত্যার ঘটনাও। দেখানো হয়েছে জামাইষষ্ঠীর দিন প্রদীপ মন্ডলকে বাড়ি থেকে মারতে মারতে তুলে নিয়ে গিয়ে খুন করার দৃশ্য। তাঁর স্ত্রী নিজের বয়ানে সবকিছু বলছেন ছবিতে।

সোমবার বিধানসভায় সুব্রতর স্মৃতিচারণা, থাকতে পারেন মমতা

এইসব হিংসায় মৃতদের পরিবারের অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী ও স্থানীয় নেতাদের ওপর। এবং নিপীড়িতদের মুখ থেকে বার বার উঠে এসেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু তোষণের অভিযোগ। অনেক দৃশ্য প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী অভিনয়ের মাধ্যমে চলচ্চিত্রায়িত হয়েছে।বিজেপির মহিলা মোর্চার নেত্রী সঙ্ঘমিত্রা আদতে একজন চিত্রপরিচালকই। তিনি নিজের রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতিফলন ঘটান সেলুলয়েডেও। তিনি জানিয়েছেন, ছবিটি গোয়া ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রদর্শনীর জন্য মনোনীত হয়েছে। যা খুবই গর্বের।একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, ইন্ডিয়ান প্যানোরামা বা ভারতের আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব হল ভারত সরকার আয়োজিত সর্বোচ্চ সম্মান। যা যেকোনও ফিল্মমেকারের একটা স্বপ্ন। তবে এই স্বপ্নপূরণ তাঁর একার নয়। গোটা টিমের। তাঁর বিচারধারার প্রতিটি মানুষের। তিনি তাঁদের মনের কথাই তুলে ধরেছেন।বিভিন্ন প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ানকেই নাট্যরূপ দিয়েছেন সঙ্ঘমিত্রা। রয়েছে মরিচঝাঁপি, সন্দেশখালি ও ধুলাগরের ঘটনার অনেক অজানা তথ্য। প্রচুর সংগৃহিত ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। বেশকিছু ঘটনার ভিডিও ফুটেজ দেখানো হয়েছে। ছবিতে পরিচালকের দাবি ওইসব ঘটনার ছবি চেপে দেওয়া হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমেও দেখানো হয়নি। বাংলার বিভিন্ন এলাকায় সংঘটিত হওয়া দাঙ্গা ও রাজনৈতিক হিংসা ও হত্যার প্রেক্ষাপটে তৈরি এই ডক্যু ফিচার। যাতে উঠে এসেছে তোষণের রাজনীতির কথাও। রয়েছে নির্যাতিত পরিবরগুলির বহু মানুষের বক্তব্য। ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল চলবে ২০ থেকে ২৮ নভেম্বর।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা ‘সুখপাঠ’

You might also like