Latest News

পাঞ্জাবে কৃষকেরা ফের চাল-ডাল, বিছানা সঙ্গে নিয়ে রাজপথে, নিশানায় আপ সরকার

দ্য ওয়াল ব্যুরো: চণ্ডীগড়‌গামী ব্যস্ততম রাস্তা চণ্ডীগড়-মোহালি রোড মঙ্গলবার রাত থেকে বন্ধ। হাজার হাজার কৃষক রাস্তায় শুয়ে, বসে আছেন (Farmer Protest) । সঙ্গে চাল-ডাল, সবজি এবং হালকা বিছানা। বহু দিন রাস্তা আটকে রাখার পরিকল্পনা নিয়ে বাড়ি ছেড়েছেন তাঁরা।

মাস কয়েক আগেও এই একই পরিস্থিতি ছিল ওই রাস্তার। কেন্দ্রীয় সরকারের তিন কৃষি আইনের বিরুদ্ধে ৩৩টি কৃষক সংগঠনের মঞ্চ সংযুক্ত কৃষক মোর্চার ডাকে আন্দোলনরত কৃষকেরা দিল্লিগামী রাস্তা আটকে বসেছিল এক বছরেরও বেশি সময়।

সেই একই সংগঠন রাস্তায় নেমেছে পাঞ্জাবের (Punjab) কৃষকদের স্বার্থে। তাঁদের দাবি, গমে কুইন্টাল পিছু ৫০০ টাকা করে বোনাস দিতে হবে। এছাড়া, আগামী মাসে ধান রোপণের সময় দিনে ১২ ঘণ্টা বিদ্যুৎ দিতে হবে।

কৃষকদের এই দাবি নিয়ে মহা বিপাকে পড়েছে সদ্য ক্ষমতায় আসা আম আদমি পার্টি। মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত সিং মান আলোচনার রাস্তা খোলা বলেও কৃষক সংগঠনের মুখোমুখি হননি। কৃষকেরা চণ্ডীগড় অভিযানের ডাক দিয়েছেন। মঙ্গলবার দিনভর মিছিলের ঢল নেমেছিল। রাতে পুলিশ চণ্ডীগড়ের অদূরে আটকে দেয়।

আপ সরকার (AAP Government) ক্ষমতায় এসেছে দু’মাসও হয়নি। ইতিমধ্যে রাজকোষে বিপুল বোঝা চেপেছে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে গিয়ে। এই সময় কৃষকের দাবি মানতে বেগ পেতে হচ্ছে নতুন সরকারকে।

আপের একাংশের বক্তব্য, এই আন্দোলনের পিছনে বিরোধীদের উস্কানি আছে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, কৃষক আন্দোলন আপ সরকারকে বড় ধরনের বিপাকে ফেলেছে। বছর শেষে গুজরাত ও হিমাচল প্রদেশে বিধানসভার ভোট। আপ এখনও পর্যন্ত নির্বাচনী ইশতেহারে আর্থিক সুযোগ সুবিধা দেওয়ার কথা বলেই বাজিমাত করেছে। পাঞ্জাবের কৃষকেরাও সেই কারণে কংগ্রেস ও অকালি দলকে বাদ দিয়ে আপকে ক্ষমতায় এনেছে। পাঞ্জাবে কৃষকের দাবি না মেটাতে পারলে গুজরাত ও হিমাচলের ভোটে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বিশ্বাসযোগ্য করে তোলা কঠিন হবে।

কৃষি আইন বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম মুখ সিপিএম নেতা হান্নান মোল্লা বলেন, পাঞ্জাবের কৃষকদের এই আন্দোলনের পিছনেও মূল শক্তি সংযুক্ত কৃষক মোর্চা। আমরা মোর্চার কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তরফে সব রাজ্যকেই বলেছি, কৃষক স্বার্থে নিজেদের রাজ্যের ইস্যু নিয়ে আন্দোলন শুরু করতে।

‘গ্যাসের দাম বাড়লেই দাঙ্গা লাগিয়ে দিচ্ছে’, চোখ খুলে দিতে চাইলেন মমতা

You might also like