Latest News

আর্থিক সংকট ডেকে আনে এমন প্রতিশ্রুতি না দিতে দলগুলিকে আর্জি নির্বাচন কমিশনের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সব রাজনৈতিক দলকে চিঠি দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission of India)। মঙ্গলবার লেখা এই চিঠিতে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলিকে সতর্ক করেছে দেশের ভোট পরিচালন সংস্থাটি। রাজনৈতিক দলগুলিকে বলা হয়েছে, তারা যেন ভোটারদের কোনও ফাঁকা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি না দেয়।

প্রসঙ্গত, নিখরচায় চটকদার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দেওয়া বন্ধ করার দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) হওয়া একটি মামলার শুনানি চলছে। গত মাসের ২৫ তারিখ সেই মামলায় সুপ্রিম কোর্টের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এনভি রামানা নির্বাচন কমিশনকে এই ব্যাপারে তাদের অভিমত জানাতে বলেন। সেই সঙ্গে অন্তর্বর্তী আদেশে তিনি কমিশনকে বলেন, রাজনৈতিক দলগুলিকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে।

আদালতে হলফনামা দিয়ে কমিশন এই ব্যাপারে এক প্রকার তাদের অক্ষমতার কথাই বলেছে। কমিশনের বক্তব্য, কোন সুবিধাকে চটকদার, অবাস্তব, সঙ্গতিহীন বলা হবে তার সংজ্ঞা সরকারকে ঠিক করতে হবে। কারণ, সময়ের সঙ্গে এর সংজ্ঞা বদলও জরুরি।

তাৎপর্যপূর্ণ হল, সাম্প্রতিককালে বিষয়টির অবতারণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি উত্তরপ্রদেশে এক জনসভায় এই ব্যাপারে তাঁর উদ্বেগের কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক দলগুলি এমন সব সুবিধা দেওয়ার কথা ঘোষণা করছে যেগুলির দায় বহন করতে গিয়ে রাস্তা, স্কুল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র গড়ার টাকায় টান পড়ছে।

যদিও যে ধরনের স্কিম বা প্রকল্পকে নিখরচায় চটকদার, অপ্রয়োজনীয় সুবিধা বলা হয়ে থাকে তেমন অনেকগুলি কেন্দ্রীয় সরকার চালু করেছে। বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিও এর বাইরে নয়।

ওয়াকিবহাল মহলের মতে, প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপির এই ব্যাপারে সরব হওয়ার কারণ, তৃণমূল, আপ, টিআরএস, বিজেডি, ডিএমকের মত আঞ্চলিক দলগুলি স্বাস্থ্যস্বাথী, কন্যাশ্রী, সবুজসাথীর মতো স্কিম চালু করেই ভোটের বাক্সে বাজিমাত করছে। সেই কারণে মোদী প্রধানমন্ত্রী কৃষিকর্মণ যোজনায় চাষিদের নগদ টাকা বিলোনো সত্ত্বেও অন্য দলগুলির সমগোত্রীয় সুবিধাগুলি নিয়ে সরব।

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের রেশ ধরে বিজেপির আইনজীবী নেতা অশ্বিনী উপাধ্যায় সুপ্রিম কোর্টে মামলা করে দাবি করেন, রাজনৈতিক দলগুলি ভোটের আগে এমন কোনও সুবিধা ঘোষণা করতে পারবে না যা অর্থ সংকট ডেকে আনবে। আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন ঘোষণা করা চলবে না।

কমিশন তাদের চিঠিতে বলেছে, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি যাই করা হোক না কেন, আর্থিকভাবে তা পূরণ করার যোগ্য কিনা সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। কমিশনের বক্তব্য, এই বিষয়ে কমিশন চুপ করে থাকতে পারে না। তারা রাজনৈতিক দলগুলিকে বলেছে, ১৯ অক্টোবরের মধ্যে নিজেদের অভিমত কমিশনকে জানাতে।

নবমীতে অন্ধকারে ডুবে প্রায় গোটা বাংলাদেশ! বড়সড় বিদ্যুৎ বিভ্রাট ওপার বাংলায়

You might also like