Latest News

বিজয় উৎসব করলেই এফআইআর, মুখ্যসচিবদের কড়া নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

দ্য ওয়াল ব্যুরো : নির্বাচন কমিশন আগেই নির্দেশ দিয়েছিল, কোভিড সংকটের মধ্যে কোথাও ভোটের বিজয় উৎসব করা চলবে না। রবিবার দুপুরের পরে খবর পাওয়া যায়, যে রাজ্যগুলিতে ভোট হয়েছিল, সেখানে কোথাও কোথাও বিজয়ী দলের সমর্থকরা জমায়েত করছেন। একথা জানার পরেই তৎপর হয় নির্বাচন কমিশন। সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির মুখ্যসচিবদের কমিশন কড়া নির্দেশ দিয়ে বলে, কোথাও জমায়েত হলেই এফআইআর করতে হবে। স্থানীয় থানার কর্তাকেও সাসপেন্ড করতে হবে।

নির্বাচন কমিশনের মুখপাত্র এদিন বলেন, আমরা সংশ্লিষ্ট প্রতিটি রাজ্যের মুখ্যসচিবদের বলেছি, কোথাও জমায়েত হলেই এফআইআর করতে হবে। স্থানীয় থানার এসএইচও-কে সাসপেন্ড করতে হবে। আমাদের কাছে অ্যাকশন টেকন রিপোর্ট পাঠাতে হবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব।

এদিন দুপুর দু’টো অবধি পশ্চিমবঙ্গে ফলাফলের যে ট্রেন্ড, তাতে মনে হয়, ২০০-র বেশি আসন পেতে পারে তৃণমূল। বিজেপি থেমে যেতে পারে ১০০-র নীচে। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা বামেদের সংযুক্ত মোর্চার। তারা সম্ভবত দু’টির বেশি আসন পাবে না।

অসমে জয়ের পথে এগোচ্ছে বিজেপি। দুপুর অবধি ওই রাজ্যে যা ট্রেন্ড, তাতে দেখা যায়, বিজেপি জোট এগিয়ে আছে ৮০ টি আসনে। ৪৬ টি আসনে এগিয়ে আছে প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস। অসমে গরিষ্ঠতা পেতে হলে চাই ৬৪ টি আসন। সুতরাং বলা যায়, বড় কোনও অঘটন না ঘটলে উত্তর পূর্বের ওই রাজ্যটিতে সরকার গড়তে চলেছে বিজেপি। রাজ্যে এই প্রথম কোনও অকংগ্রেসি দল পরপর দু’বার সরকার গঠন করবে। সেই ইতিহাস গড়ার লক্ষ্যেই এগোচ্ছে বিজেপি।

কেরলে ফের সরকার গড়তে চলেছে লেফট ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট। তামিলনাড়ুতে এগিয়ে আছে ডিএমকে। ওই দলটি এক দশক তামিলনাড়ুতে ক্ষমতায় নেই। এবার তারা লড়াই করেছে এম কে স্ট্যালিনের নেতৃত্বে। তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে দুই বর্ণময় ব্যক্তিত্ব এম কে করুণানিধি ও জে জয়ললিতা প্রয়াত হয়েছেন। তাঁরা না থাকায় অনেকাংশে বদলে গিয়েছে দক্ষিণের ওই রাজ্যটির ভোটচিত্র। তামিলনাড়ুতে সাধারণত প্রতি ভোটে সরকার বদল হয়। পালা করে ক্ষমতায় আসে ডিএমকে এবং এডিএমকে। কিন্তু ২০১৬ সালে জয়ললিতার নেতৃত্বে এডিএমকে দ্বিতীয়বার ভোটে জেতে।

You might also like