Latest News

হার্ট অ্যাটাকের রোগীকে বাঁচাতে ছুটে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত ডাক্তারই, মারা গেলেন দুজনেই

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মর্মান্তিক, হৃদয়বিদারক ঘটনা (heart rendering)। তেলঙ্গানার (telangana) কামারেড্ডি জেলার গান্ধারি মন্ডলের এক নার্সিং হোমে (nursing home) হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীকে বাঁচাতে গিয়ে হার্ট অ্যাটাক (heart attack) হল ডাক্তারেরই (doctor)! বাঁচানো যায়নি কাউকেই (death)। শোকের ছায়া নেমে এসেছে এ ঘটনায়।

৪৫ বছরের ডাক্তার লক্ষ্মণ নার্সিংহোমে  হার্ট অ্যাটাক হওয়া এক প্রবীণ নাগরিকের ভর্তি হওয়ার খবর পেয়েই ছুটে যান। নার্সিংহোম তাঁর নিজেরই। সেখানে পৌঁছে আইসিইউতে ভর্তি ৬২  বছরের কেথাভাত জগ্গুকে বাঁচানোর চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু নিজেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন। জ্ঞান হারান। তাঁকে সামলাতে অন্য ডাক্তার, সহকর্মীরা ঝাঁপিয়ে পড়েন। কিন্তু তাঁদের সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়। ডাক্তার মারাই যান। ওদিকে জগ্গুকে নিয়ে ব্যস্ত তাঁর বাড়ির লোকজন  কী করবেন বুঝে উঠতে পারছিলেন না। শেষ পর্যন্ত তাঁকে  নিয়ে অ্যাম্বুলেন্সে কামারেড্ডি টাউন রওনা হন তাঁরা। কিন্তু রাস্তায়ই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন জগ্গু। সকালেই হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল তাঁর।

নিজামাবাদের গান্ধী মেডিকেল কলেজের অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর  ডঃ লক্ষ্মণ মাত্র কিছুদিন আগে এসভি শ্রীজা মাল্টি স্পেশালিটি  হাসপাতাল চালু করেন। তিনি মেহবুুবাবাদের লোক। পেশাস্থল ছিল নিজামাবাদ, গান্ধারী। রেখে গেলেন স্ত্রী ও ১২, ৭ বছরের দুই মেয়েকে।

স্থানীয় ডাক্তার মহলের অভিমত, যেভাবে রোগী দেখতে দেখতে হার্ট অ্যাটাক হয়ে ডঃ লক্ষ্মণ মারা গেলেন, তাতে ডাক্তারদের যে প্রচণ্ড চাপের মধ্যে কাজ  করতে হয়, সেটাই ফুুটে উঠল।

 

 

You might also like