Latest News

মোহনবাগান সমর্থকদের কাঁদিয়ে চলে গেলেন অনির্বাণ, শোকে কাতর ব্যারেটো, শিলটনরা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সদ্য পুরী থেকে বেরিয়ে ফিরেছিলেন বাড়িতে। অস্টমীতে ফেসবুকে দিয়েছিলেন শেষ পোস্ট। আর দ্বাদশীর দিন অচিরেই জীবনের মায়া ত্যাগ করে চলে গেলেন অনির্বাণ নন্দী (Anirban Nandy)। তিনি ছিলেন মোহনবাগান (Mohun Bagan) অন্তপ্রাণ। বলতেন, আমার দু’জন মা, একজন গর্ভধারিনী ও অন্যজন মোহনবাগান।

কিডনির অসুখে দীর্ঘদিন ধরে ভুগছিলেন। শুক্রবার এন্টালির বাড়িতে চিরঘুমে এই সবুজ মেরুন অন্ধ সমর্থক। মাঠের সবাই তাঁকে অ্যানি বলে ডাকত। ভেলোরে চিকিৎসাও করাতে গিয়েছেন। কিন্তু, কোনও লাভ হয়নি। চিকিৎসকেরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন যে নতুন কিডনি প্রতিস্থাপন করতে কমপক্ষে ১৫ থেকে ১৬ লাখ টাকা লাগবে। তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরাও।

দায়বদ্ধতার নজির ডোনার, অসুস্থ শরীর নিয়েও কার্নিভালে নাচের মহড়ায় সৌরভ পত্নী

মোহনবাগানের প্রাক্তন গোলকরক্ষক শিলটন পাল গভীর শোকপ্রকাশ করেছেন। একটি ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘‘পুজো শেষে বিষাদের সুর। ময়দান তোমায় মনে রাখবে। সবুজ মেরুন তোমায় মিস করবে। কোন এক ভরা গ্যালারিতে আবার দেখা হবে অনির্বাণ.. ভাল থেকো তুমি।’’

অনির্বাণের একটি ছবি পোস্ট করে লিখেছেন,  ‘‘হে বন্ধু, বিদায়..।’’ শুধু শিলটন নন, যোস রামিরেজ ব্যারেটোও এক বার্তায় লিখেছেন, ‘‘অনির্বাণের মৃত্যুতে আমি গভীরভাবে শোকাহত। আশা করি, সবুজ-মেরুনে ওঁর আত্মা চির বিরাজমান হোক।’’

একবার সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের দাদাগিরি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন অ্যানি। সেখানেও মন জয় করেছিলেন ওই মোহনবাগান সমর্থক। তিনি আর্থিক সহায়তার জন্য ওই অনুষ্ঠানের পরিচিতিও দিতেন, কিন্তু তাও সব সহায়তা পাননি। মোহন কর্তারাও যে তাঁর পাশে ছিলেন, সেটিও বলা যাবে না।

মা-বাবা আগেই প্রয়াত হয়েছেন। নিঃসঙ্গ অনির্বাণের সঙ্গী ছিল শুধুই মোহনবাগান। কিন্তু শেষ লড়াইটা আর লড়তে পারলেন না ৩০-র যুবক। অকালেই চলে গেলেন বাবা-মায়ের কাছে, ধরাছোঁয়ার বাইরে।

You might also like