Latest News

মা তারার আবির্ভাব দিবসে ভক্তদের ঢল নামল তারাপীঠে

দ্য ওয়াল ব্যুরো, বীরভূম: মা তারার (Maa Tara) আবির্ভাব দিবস উপলক্ষে মেতে উঠল তারাপীঠ (Tarapeeth)। শুক্রবার রাত থেকেই পুণ্যার্থীর (devotees) ঢল নামে তারাপীঠে। শনিবার সকাল থেকেই শুরু হয় বিশেষ পুজো পাঠ।

Tarapeeth

প্রথা মেনেই, মঙ্গলবার ভোরে তারাপীঠের মূল মন্দিরের গর্ভগৃহ থেকে বিগ্রহ নিয়ে আসা হয় বিরাম মঞ্চে। জীবিত কুণ্ডের জল দিয়ে স্নানের পর পশ্চিম দিকে অর্থাত ঝাড়খণ্ড সীমানার কাছে মুলুটিতে যে মন্দির রয়েছে, সেই অভিমুখে বসানো হয় তারার মূর্তি। মনে করা হয়, তারা এবং মুলুটির মন্দিরের দেবী সম্পর্কে দুই বোন। এদিন দুই বোনের দেখা হয়। সকালে মঙ্গলারতির পর দেওয়া হয় শীতল ভোগ। সন্ধ্যায় আরতির পর তারা মায়ের বিগ্রহ আবার ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় মূল মন্দিরে। সেখানে দেবীর অভিষেকের পর শুরু হয় ভোগ রান্না। রাতে দেওয়া হয় অন্নভোগ।

কথিত আছে, পাল যুগে দ্বারকা নদী দিয়ে বাণিজ্য করতে যাওয়ার সময় একদা চণ্ডীপুরে নোঙর করেছিলেন বণিক জয় দত্ত। এখানেই সাপের কামড়ে তাঁর পুত্রের মৃত্যু হয়। রাতে বণিকের ভৃত্যরা রান্না করার জন্য শোল মাছ কেটে পুকুরের জলে ধুতে গেলে মাছটি জীবিত হয়ে জলে নেমে যায়। বিষয়টি বণিককে জানালে বণিক তাঁর মৃত ছেলেকে সেই পুকুরের জলে স্নান করান। এরপরেই তাঁর মৃত ছেলে ‘জয় তারা, জয় তারা’ ধ্বনি উচ্চারণ করে জীবিত হয়ে ওঠেন।

অলৌকিক এই ঘটনা যে রাতে ঘটে সেই রাতেই স্বপ্নে মা তারার দর্শন পান বণিক জয় দত্ত। সেই শুক্লা চতুর্দশী তিথিতেই একদা চণ্ডীপুর বর্তমানে তারাপীঠে মা তারার পুজো শুরু করেন বণিক। তারপর থেকেই শুক্লা চতুর্দশীর দিনটিকে মা তারার আবির্ভাব দিবস হিসেবে পালন করা হয়ে থাকে। বহু পুণ্যার্থী তারাপীঠে আসেন। বছরের এই একটি দিন সাধারণ মানুষ মা তারার চরণ স্পর্শ করে পুজো দিতে পারেন।

আজ শনিবার, গ্রহরাজ শনির বক্রদৃষ্টি থেকে বাঁচবার সহজতম উপায় জেনে নিন

You might also like