Latest News

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন দিল্লির প্রথম ওমিক্রন আক্রান্ত, তাঁর বাড়ির বাইরে মোতায়েন রক্ষী

দ্য ওয়াল ব্যুরো : নাম সাহিল ঠাকুর। বয়স ৩৭। তিনিই হলেন রাজধানী দিল্লির প্রথম ওমিক্রন আক্রান্ত (First Omicron Patient)। সম্প্রতি তিনি ছাড়া পেয়েছেন হাসপাতাল থেকে। আরও ১৪ দিন আইসোলেশনে থাকতে হবে তাঁকে। তাঁর বাড়ির বাইরে মোতায়েন করা হয়েছে রক্ষী। রক্ষীরা নজর রাখছেন তিনি যাতে কোনওভাবেই বাড়ির বাইরে না যেতে পারেন। সংবাদ মাধ্যমকে সাহিল বলেছেন, “আমাকে এখনও দু’সপ্তাহ আইসোলেশনে থাকতে হবে। তার মধ্যে চিকিৎসকরা আমাকে একাধিকবার পরীক্ষা করবেন।” গত ৮ ডিসেম্বর তাঁর শরীরে ওমিক্রনের অস্তিত্ব ধরা পড়ে। তার ছ’দিন আগে ভারতে প্রথম ওমিক্রন আক্রান্তের সন্ধান মেলে।

ব্যবসার কাজে সাহিল দুবাইতে গিয়েছিলেন। ৪ ডিসেম্বর তিনি দিল্লিতে ফিরে আসেন। তিনি বলেন, “আমাদের ই-সুবিধা ফর্ম ফিল আপ করতে বলা হয়েছিল। তখন যাত্রীদের র‍্যানডম টেস্টিং হচ্ছিল। এখন যেমন প্রত্যেক যাত্রীর টেস্ট হচ্ছে, তখন তা হয়নি।” বিমান বন্দরে সাহিলেরও টেস্ট হয়নি। তাছাড়া তাঁর কোনও উপসর্গও ছিল না। সাধারণত কোভিড রোগীর কাশি হয়, গলায় ব্যথা হয়, শরীরে তাপমাত্রা থাকে। কিন্তু সাহিলের সেসব কিছুই ছিল না। তাই দিল্লি বিমান বন্দরে নেমে তিনি বাড়ি চলে যান।

সাহিল বলেন, “৭ সেপ্টেম্বর আমার মুম্বই যাওয়ার কথা ছিল। তার আগে আমি কোভিড টেস্ট করিয়েছিলাম। ৬ ডিসেম্বর আমি কোভিড পজিটিভ হই। দু’দিন বাদে আমাকে জানানো হয়, আমি ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছি।” ১১ ডিসেম্বর অবধি সাহিল ছিলেন হোম আইসোলেশনে। পরে অ্যাম্বুলেন্সে তাঁকে এলএনজেপি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

সাহিল এর আগেও ওমিক্রনে আক্রান্ত হয়েছিলেন। দেশে কোভিডের প্রথম ওয়েভ আসার পরে তিনি ওই রোগে আক্রান্ত হন। তাঁর কথায়, “আমি সত্যিই ভাগ্যবান। ওমিক্রন ভ্যারিয়ান্ট অত্যন্ত সংক্রামক। আমার বাবা-মা-র কোভিড টেস্ট করা হয়েছিল। তাঁরা সংক্রমিত হননি।”

সাহিল দিল্লির রোহিনী এলাকায় থাকেন। তাঁর সঙ্গে থাকেন বাবা-মা ও এক পরিচারিকা। এখন তাঁর বাড়ির বাইরে তিন-চারজন পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বাড়ির সকলকেই বাইরে বেরোতে বারণ করা হয়েছে। তাঁদের কিছু কেনাকাটা করার থাকলে পুলিশকর্মীরাই করে দিচ্ছেন।

You might also like