Latest News

ধর্ষণে অভিযুক্ত বিজেপি নেতা ,প্রাক্তন মন্ত্রী শাহনওয়াজ, তদন্তের নির্দেশ দিল্লি হাইকোর্টের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শাহনওয়াজ হুসেনের (Shahanwaj Hossain) বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করে তদন্ত শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court)। তিন মাসের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে বলেছে আদালত।

কালক্ষেপ না করে শাহনওয়াজ গতকালই সুপ্রিম কোর্টে যান দিল্লি হাইকোর্টের রায় খারিজের আর্জি নিয়ে। তাঁর সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিচিতির কথা জানিয়ে মামলাটির দ্রুত বিচারের আর্জি জানানো হয়েছিল প্রাক্তন মন্ত্রীর তরফে। কিন্তু সর্বোচ্চ আদালত সেই আর্জি খারিজ করে দিয়েছে।

ধর্ষণের অভিযোগটি চার বছর আগের। ২০১৮ সালে ওই বিজেপি নেতার বিরুদ্ধে এক মহিলা ধর্ষণের অভিযোগ করেছিলেন। মহিলার অভিযোগ, পুলিশ কিছুতেই অভিযোগ নিচ্ছে না। দিল্লি পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগে মহিলা বলেন, ২০১৮-র ১২ এপ্রিল শাহনওয়াজ হুসেন তাঁকে ছত্তারপুরের একটি খামার বাড়িতে ডেকেছিলেন। সেখানে তাঁকে প্রতারণা করে নেশাজাতীয় কিছু খাইয়ে ধর্ষণ করা হয়।

মহিলার দাবি, তিনি মেহরাউলি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কিন্তু অভিযোগ গ্রহণের পরিবর্তে তাঁকে চাপ দেওয়া হতে থাকে ঘটনাটি চেপে যেতে। থানা অভিযোগ না নেওয়ায় মহিলা দিল্লির সাকেত আদালতে মামলা দায়ের করেন। তাতে আবেদন করেন, যাতে আদালত পুলিশকে এফআইআর রুজু করে তদন্তের নির্দেশ দেয়। সাকেত আদালতে পুলিশ জানায়, মহিলার অভিযোগের কোনও সত্যতা মেলেনি।

কিন্তু প্রশ্ন ওঠে পুলিশ এফআইআর দায়ের না করে কীভাবে এই কথা বলতে পারে। পুলিশের বক্তব্য, ঘটনার দিন রাত সোয়া ৯টার পর বাড়ি থেকে বের হননি শাহনওয়াজ। ফলে রাত সাড়ে দশটায় ছত্তরপুরে ওই মহিলার সঙ্গে থাকার অভিযোগ সত্যি হতে পারে না।

প্রসঙ্গত, শানওয়াজ দিন কয়েক আগেও বিহারে বিজেপি-জেডিইউ সরকারের শিল্প মন্ত্রী ছিলেন। বাজপেয়ি সরকারের সময় একাধিক মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছেন। দলেও তিনি বরাবর ওজনদার নেতা হিসাবে পরিচিত। ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটির সদস্য। গত পরশু ওই কমিটি থেকে বাদ পড়েছেন তিনি। পরদিন তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিল দিল্লি হাইকোর্ট।

পুলিশ মহিলার অভিযোগ অসত্য বললেও সাকেত আদালত এফআইআর নথিভুক্ত করার নির্দেশ দিয়েছিল। নিম্ন আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিশন পিটিশন করেন শাহনওয়াজ। বিচারক তাঁর আর্জি খারিজ করে দেয়। আদালতের বক্তব্য, ২০১৩-র ফৌজদারি সংশোধনী আইনে মহিলার বক্তব্য রেকর্ড করা বাধ্যতামূলক। পুলিশ তা করেনি।

এরপর দিল্লি হাইকোর্টে যান শাহনওয়াজ হুসেন। দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি আশা মেনন দিল্লি পুলিশকে অভিযোগ এফআইআর হিসাবে নথিভুক্ত করে তিন মাসের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট জমা করতে বলেছেন।

নীতি আয়োগে মত প্রকাশে বেড়ি, কর্তাদের না দেখিয়ে সংবাদমাধ্যমে লেখায় নিষেধাজ্ঞা

You might also like