Latest News

রাষ্ট্রপতি ভবনে যাওয়ার পথে রাহুলের মিছিলে বাধা, প্রিয়ঙ্কাকে আটক করল পুলিশ

দ্য ওয়াল ব্যুরো : বুধবারই জানা গিয়েছিল, বিতর্কিত তিনটি কৃষি আইন বাতিল করার দাবিতে বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি ভবনে যাবেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। সেইমতো এদিন তিনি মিছিল করে রাষ্ট্রপতি ভবনের দিকে যাচ্ছিলেন। সেখানে ঢোকার আগে মিছিল আটকায় পুলিশ। অল্প কয়েকজনকে মিছিলের প্রতিনিধি হিসাবে রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রবেশ করার অনুমতি দেওয়া হয়। এরপরে কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরাকে আটক করে পুলিশ। আরও কয়েকজন কংগ্রেস নেতার সঙ্গে তাঁকে বাসে চড়িয়ে থানায় পাঠানো হয়।

কৃষি আইনের বিরুদ্ধে কংগ্রেস নেতারা দেশ জুড়ে দু’কোটি সই সংগ্রহ করেছেন। এদিন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের হাতে সেই সই সহ একটি আবেদনপত্র তুলে দেন রাহুল। বিতর্কিত আইনগুলি বাতিল করার জন্য রাষ্ট্রপতিকে হস্তক্ষেপের অনুরোধ করেন তিনি।

রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে বেরিয়ে প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি বলেন, “আমি প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়ে দিতে চাই, যতক্ষণ না বিতর্কিত আইনগুলি বাতিল হচ্ছে, ততক্ষণ কৃষকরা বাড়ি ফিরে যাবেন না। সরকারের উচিত সংসদের যৌথ অধিবেশন ডেকে আইনগুলি বাতিল করা। বিরোধীরা কৃষকদের পাশে আছে।”

এদিন পুলিশ মিছিল আটকানোর পরে রাস্তার ওপরে বসে পড়েন প্রিয়ঙ্কা। তিনি বলেন, “সরকারের বিরুদ্ধে কেউ বিক্ষোভ দেখালেই তাঁকে সন্ত্রাসবাদী বলা হচ্ছে। কৃষকদের প্রতি সমর্থন জানাতেই আমরা মিছিল করেছি।” পরে কংগ্রেস নেত্রী বলেন, “সরকার মাঝে মাঝে বলে, আমরা এত দুর্বল যে আমাদের বিরোধী বলে গণ্য করা যায় না। আবার এখন বলছে, আমরা এত শক্তিশালী যে, এক মাসের মধ্যে দিল্লি সীমান্তে লক্ষাধিক কৃষকের সমাবেশ ঘটাতে পারি।” প্রিয়ঙ্কা বলেন, “সরকার আগে স্থির করুক আমরা কী? দুর্বল না শক্তিশালী?”

প্রিয়ঙ্কা বলেন, “সরকার পাপী। কারণ তারা কৃষকদের দেশবিরোধী বলেছে।”

দিল্লি ও তাঁর আশপাশে কৃষক আন্দোলন ক্রমশ তীব্রতর হচ্ছে। মঙ্গলবার কৃষক বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খট্টরকেও। আম্বালা যাওয়ার পথে কালো পতাকা দেখানো হয় তাঁকে। বিক্ষোভের জেরে ফিরে আসতে হয় মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়কে।

মঙ্গলবার খট্টরের কনভয়কে আটকানোর চেষ্টা করেন কৃষকরা। পুলিশ তাদের বাধা দেয়। এই ঘটনার বেশ কিছু ভিডিও প্রকাশ হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে খট্টরের কনভয়ের সামনে কালো পতাকা ও লাঠি নিয়ে দাঁড়িয়ে কৃষকরা। কালো পতাকা দেখানোর পাশাপাশি সরকার বিরোধী স্লোগান দিতেও দেখা যায় তাঁদের। কৃষকদের জমায়েত দেখেই ধীরে হয়ে যায় মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়। তাদের সেখান থেকে সরিয়ে দেওয়ার অনেক চেষ্টা করে পুলিশ। কিন্তু সরানো যায়নি। অবশেষে যে পথে এসেছিল সে পথেই ফিরে যায় খট্টরের কনভয়।

You might also like