Latest News

অখিলেশের দলিত প্রীতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে জোটে জল ভীম আর্মি প্রধানের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত কয়েক দিনে মন্ত্রী, বিধায়ক মিলিয়ে বিজেপির জনা দশ নেতা অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। দলিত ভোটের বড় অংশ এই সুবাদে সমাজবাদী পার্টিতে ফিরবে বলে মনে করা হচ্ছিল। অখিলেশের সেই প্রত্যাশায় শনিবার বড় ধাক্কা দিলেন ভীম আর্মির প্রধান চন্দ্রশেখর আজাদ। এদিন তিনি বলেন, মাস ছয়েক ধরে অখিলেশ যাদবের সঙ্গে আমাদের আলোচনা চলছে। শুক্রবারও আমাদের দু’জনের কথা হয়। কিন্তু আলোচনা থেকে আমি বুঝেছি, সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো দলিতদের ভাল চান না। দলিতের ভোট ছাড়াও চলবে, এমন মনোভাব নিয়ে চলছেন অখিলেশ।

একটু আগেই লখনউতে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন চন্দ্রশেখর। তাঁর এই আচমকা ঘোষণায় রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। অখিলেশ এখনও চন্দ্রশেখরের কথার জবাব না দিলেও সমাজবাদী পার্টি মনে করছে, ভীম আর্মির প্রধানের মুখে উল্টো সুর বিজেপি ও মায়াবতীর চক্রান্ত। বিজেপির দলিত মন্ত্রী ও বিধায়কদের দলত্যাগ এবং যোগী সরকারের বিরুদ্ধে দলিতের স্বার্থ বিরোধী কাজের অভিযোগকে সামনে রেখে ঘুঁটি সাজাচ্ছে সমাজবাদী পার্টি। তবে শুধু বিজেপি নয়, বিগত কয়েক মাসে বহুজন সমাজবাদী পার্টির বহু নেতা, বিধায়কও অখিলেশের হাত ধরেছেন।

আজ বিএসপি নেত্রীর জন্মদিন। ৬৬ তম জন্মদিনটিই দলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের জন্য বেছে নেন মায়াবতী। প্রথম দফার ৫৮ আসনের মধ্যে ৫৫টির প্রার্থী ঘোষণা করেছেন তিনি। তালিকা প্রকাশ অনুষ্ঠানে দলবদল নিয়ে সরব হন মায়াবতী। বলেন, দলবদল বিরোধী আইনে পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। ভোটের আগে দল বদল নিষিদ্ধ করা দরকার।

রাজনৈতিক মহলের অনেকের মত, মায়াবতী আসলে বিজেপির কথাই বলছেন। গেরুয়া শিবিরের আশঙ্কা, দলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশের পর আরও অনেক মন্ত্রী, বিধায়ক দল ছাড়বেন। দলত্যাগীরা ব্যক্তিগত স্বার্থে বিজেপি ছাড়ছে বলে সরব হয়েও গেরুয়া শিবির একান্তে মানছে, যে তিন মন্ত্রী অখিলেশের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন, তাঁরা কম করে একশোটি আসনের ফল উল্টে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। এই পরিস্থিতিতে বিজেপি দ্বিমুখী কৌশল নিয়েছে। একদিকে, দলিতদের খুশি করার চেষ্টা শুরু হয়েছে। শুক্রবার গোরখপুরে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এক দলিতের ঘরে গিয়ে এক সঙ্গে বসে বাবা গোরখনাথের খিচুড়ি প্রসাদ খান।

অন্যদিকে, বিজেপি চেষ্টা চালাচ্ছে, অখিলেশের শিবিরে ভাঙন ধরাতে। ভীম আর্মি প্রধানের বিদ্রোহের পিছনে গেরুয়া শিবিরের হাত রয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে। আজাদের যদিও বিজেপির হাত ধরার প্রশ্ন নেই। তবে মায়াবতীর দলের সঙ্গে আসন সমঝোতা করতে পারেন। এদিন সাংবাদিক বৈঠক থেকে শুরুতেই মায়াবতীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান আজাদ।

You might also like