Latest News

ভ্যাঁ ভ্যাঁ করে ক্যামেরার সামনে চন্দ্রবাবুর কান্না মনে করাল বৈশাখী, সৌমিত্র, সোনালীর হাউ হাউ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আবেগে রাজনীতিকদের চোখ ভিজে যাওয়া (cries), গলা বুজে আসার ঘটনা নতুন নয়। কিন্তু এমন হাউমাউ কান্না খুবই কম দেখা গিয়েছে জাতীয় রাজনীতিতে। একেবারে ক্যামেরার সামনে ভ্যাঁভ্যাঁ করে কেঁদে ফেললেন তেলুগু দেশম পার্টির (TDP) প্রধান তথা অন্ধ্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু (Chandrababu Naidu)।

শুক্রবার চন্দ্রবাবুকে বেনজির আক্রমণের মুখে পড়তে হয় অন্ধ্রপ্রদেশ বিধানসভায়। এরপরই সাংবাদিক বৈঠকে সে কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন বর্ষীয়ান রাজনীতিক। সম্প্রতি কুপ্পমে পুরভোটে পরাজিত হয় তাঁর দল টিডিপি। এদিন বিধানসভায় চন্দ্রবাবু ঢোকা মাত্রই টিটকিরি শুরু করেন ওয়াইসিপি বিধায়করা।

শুধু তাই নয়, ওয়াইসিপি বিধায়ক আম্বাতি রায়বাবু চন্দ্রবাবু নাইডুর স্ত্রী সত্যমণি ভুবনেশ্বরীর নামেও কটাক্ষ করেন বলে অভিযোগ। এর পরে, চন্দ্রবাবু টিডিপি সদর দফতরে গিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করেন। সেখানে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।

সে কান্না থামানো যাচ্ছে না। একবার রুমাল দিয়ে চোখ মুছছেন। পরের বাক্য বলতে গিয়ে আবার কেঁদে ফেলছেন। তিনি বলেন, ৪০ বছরের রাজনৈতিক জীবনে এমন অপমানিত কখনও হইনি।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলার রাজনীতিতে কান্নার রোলের উদাহরণ কম নেই। শোভন চট্টোপাধ্যায়ের পাশে বসেই বান্ধবী বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় একবার হাউমাউ কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন। বৈশাখী বলেছিলেন তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় তাঁকে অপমান করেছেন। তারপর বিজেপি যুব মোর্চার সভাপতি সৌমিত্র খাঁয়ের স্ত্রী সুজাতা মণ্ডল তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর কী কান্নাটাই না কেঁদেছিলেন বিষ্ণুপুরের সাংসদ। দিদি টিকিট না দেওয়ায় সোনালী গুহর চোখ ভিজিয়ে ফেলাও এখনও টাটকা। কিন্তু চন্দ্রবাবুর কান্না যেন সব কিছুকে ছাপিয়ে গিয়েছে।

You might also like