Latest News

অস্বাভাবিকতা পেলে রাজনীতি ছেড়ে দেব, চ্যালেঞ্জ ব্রাত্যর, গৌতম বললেন জবাব দেব কোর্টে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: তৃণমূলের ১৯ জন নেতা-মন্ত্রীর বিরুদ্ধে আয়ের অতিরিক্ত সম্পত্তি (Assets) মামলায় সোমবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে (ED) জোড়ার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। ওই মন্ত্রীদের তালিকায় রয়েছে বর্তমান শিক্ষা মন্ত্রী ব্রাত্য বসুর (Bratya Basu) নামও। সেই সঙ্গে নাম রয়েছে শিলিগুড়ির মেয়র তথা প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম দেবের (Gautam Deb) নামও।

সোমবার এ ব্যাপারে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেছিলেন ব্রাত্য বসুকে। জবাবে তিনি পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে বলেছেন, তাঁর সম্পত্তির হিসাবে অস্বাভাবিকতা পেলে তিনি রাজনীতি ছেড়ে দেবেন। আর গৌতম দেব বলেছেন, যা বলার আদালতেই দেব। তালিকায় নাম থাকা অন্য কোনও মন্ত্রী বা নেতা এদিন এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দেননি।

তৃণমূলের মন্ত্রীদের সম্পত্তি কীভাবে বেড়েছে! ইডিকেও দেখতে বলল হাইকোর্ট

ব্রাত্য বসু এদিন বিকাশ ভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, “আমি তিনবার ভোটে দাঁড়িয়েছি। নির্বাচন কমিশনে হলফনামা দিয়েছি। যদি কোনও অস্বাভাবিকতা পান তাহলে রাজনীতি থেকে সরে যাব।”

ব্রাত্য বসু বাংলার অধ্যাপক। সিনেমা পরিচালনা করেন। অভিনয়ও করেন নিয়মিত। তাঁর আয়ের একাধিক উৎস যে রয়েছে সেটা সর্বজনবিদিত। কিন্তু তা আদৌ সঙ্গতিপূর্ণ কিনা, সে ব্যাপারেই সন্দেহ প্রকাশ করে মামলা দায়ের হয়েছিল আদালতে।

আবার ২০১১ সালের ভোটে শিলিগুড়ি থেকে জিতেছিলেন গৌতম দেব। প্রথমবার ভোটে জিতেই উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন ও পর্যটনমন্ত্রী হয়েছিলেন গৌতম। ২০১৬ সালে শিলিগুড়িতে ভোটে দাঁড়িয়ে সিপিএমের অশোক ভট্টচার্যের কাছে হেরে গিয়েছিলেন তিনি। একুশে গৌতম লড়েছিলেন মাটিগাড়া-নকশালবাড়িতে। গতবারও তিনি হেরে গিয়েছেন।

গৌতম দেব বলেছেন, “আমি আইনজীবী মহল থেকে এসেছি। আমার বাবা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ছিলেন। ব্যক্তিগতভাবে আমি আইনজীবী পেশার সঙ্গে যুক্ত। এই বিচার ব্যবস্থার প্রতি আমাদের আস্থা আছে, সর্বপরি আমাদের মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী আছেন। প্রধান বিচারপতি আজ কিছু পর্যবেক্ষণ রেখেছেন। সেটা নিয়ে কিছু বলব না। আদালতে এর উত্তর দেব এবং মামলাকে মামলার মত লড়ব।”

যে মামলা দায়ের হয়েছিল তার মূল বক্তব্য হচ্ছে, ২০১১ সালের হলফনামা আর ২০১৬ সালের হলফনামায় আয়, সম্পত্তির পরিমাণের বিপুল বদল হয়েছে। কারও কারও ক্ষেত্রে তা হাজার গুণ পর্যন্ত বেশি বলে আদালতে উল্লেখ করেছেন মামলাকারীর আইনজীবী। এই ১৯ জনের তালিকায় দুই প্রয়াত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও সাধন পাণ্ডের নামও রয়েছে। এমনকি বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামও রয়েছে এই উনিশের তালিকায়।

You might also like