Latest News

অসীমের লেখা ধরে চিরঞ্জিত আঁকলেন কার্টুন! বিধানসভায় ‘আড্ডা ফাড্ডা’য় মেতে তৃণমূল-বিজেপি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিধানসভার অন্দরে মিটিংয়ের ফাঁকে আড্ডা দিচ্ছেন তৃণমূল (TMC) ও বিজেপি (BJP) বিধায়করা। এমন ঘটনা খুব একটা অপরিচিত নয় এরাজ্যে। খবরের পাতায় বা টিভির পর্দায় আকছার তা দেখা যায়। তবে সোশ্যাল মিডিয়াতে বিধায়ক নিজে আড্ডা দেওয়ার ভিডিও পোস্ট করছেন, এমনটা সচরাচর দেখা যায় না। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার (West Bengal Legislative Assembly) অন্দরের সেই আড্ডার ছবিই এবার দেখা গেল সামাজিক মাধ্যমে। যা দেখে সম্প্রতি দেব-মিঠুনের বলা একটি কথা মনে পড়তে বাধ্য।

কী বলেছিলেন দুই তারকা?

দিনকয়েক আগেই নতুন ছবি ‘প্রজাপতি’-র প্রচারে গিয়েছিলেন দেব-মিঠুন। দেব যেখানে তৃণমূল সাংসদ, সেখানে মিঠুন চক্রবর্তী বিজেপি তারকা প্রচারক তথা নেতা। ফলে স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন দু’জন। ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শে বিশ্বাসী দুই তারকার একসঙ্গে কাজ করতে কোনও সমস্যা হয়নি? প্রশ্নের জবাবে এক সুরেই দু’জনকে বলতে শোনা গিয়েছিল, “উপর তলায় আমরা সবাই বন্ধু। যত মারামারি সব নিচুস্তরেই। আমরা নেতা-মন্ত্রীরা একে-অপরের সঙ্গে দেখা হলে আড্ডা দিই। সেটা কর্মীরা বোঝেন না। তাঁরা নিজেদের মধ্যে মারামারি করেন। এমনটা করবেন না।”

দুই অভিনেতার কথা যে একেবারেই মিথ্যে নয়, তার প্রমাণ এবার হাতেনাতে মিলল। বিধানসভার ভিতরে জমাটি আড্ডায় মেতে উঠতে দেখা গেল তৃণমূল ও বিজেপি বিধায়কদের। ছিলেন চিরঞ্জিত চক্রবর্তী, সোহম চক্রবর্তী, কাঞ্চন মল্লিক, মনোরঞ্জন ব্যাপারী, রাজ চক্রবর্তীর মতো বিধায়করা। ওদিকে হরিণঘাটার বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকারও উপস্থিত ছিলেন সেখানে।

বিধানসভায় গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের মাঝে তখন বিরতি। আর কাজের ফাঁকে বিরতি মানেই চা-এর সঙ্গে ‘টা’, অর্থাৎ আড্ডা। সেখানে দেখা গেল, বিজেপি বিধায়ক অসীম সরকারের একটা হিজিবিজি ধরেই কার্টুন এঁকে দিলেন চিরঞ্জিত। চিরঞ্জিত যে বড়পর্দায় হিরো হওয়ার আগে একজন নামী অঙ্কনশিল্পী ছিলেন, সে কথা অনেকেরই অজানা। এমনকী তিনি যে সত্যজিৎ রায়ের সঙ্গেও কাজ করেছেন, এসব কথা আজকাল অনেকেই ভুলে গিয়েছেন। অসীমবাবুর লেখা একটি সংখ্যা থেকে চিরঞ্জিত চক্রবর্তী দু’মিনিটে কীভাবে কার্টুন আঁকলেন, তা দেখে তখন আশ্চর্য হয়ে গিয়েছেন সামনে বসা সোহম-কাঞ্চনরা।

ওই ভিডিওটি পোস্ট করেছেন ব্যারাকপুরের বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী। সেখানেই কাঞ্চনকে বলতে শোনা যায়, ‘আইএনসিএ স্ট্যান্ডিং কমিটির মিটিংয়ের ফাঁকে এমন আড্ডা মাঝেমধ্যেই হয়। আসলে আমরা তো তথ্য সংস্কৃতি বিভাগের। তাই সংস্কৃতি চর্চাই হচ্ছে।’ এরপর রাজ বলেন, তাঁরা যখন বিধানসভায় আসেন, তখন এভাবেই কাজের মধ্যে আড্ডা, গান বাজনা হয়। অসীমদা’ও এসে গান করেন। আমার চেয়ারম্যান হিসাবে বেশ ভাল লাগে।’ যা শুনে শেষে চিরঞ্জিতের রসালো টিপ্পনি- ‘এসবই কিন্তু আমার মনের কোণের বাইরে…’

চিরঞ্জিতের মুখে সেই কথা শুনে এটুকু বুঝতে অসুবিধা হয় না যে, যত যুদ্ধ যুদ্ধ পরিস্থিতি সবই বাইরে কিংবা নিচুস্তরে। বিধানসভার অন্দরে এক টেবিলে সবাই বন্ধু। আড্ডার সঙ্গী।

মোদীর মন্ত্রীর ফোন দিদির মন্ত্রীকে, ‘একশ দিনের টাকা এবার পেয়ে যাবেন, প্রসেস শুরু হয়েছে’

You might also like