Latest News

ওই একটা শব্দের জন্য মমতার সরকারকে ফেলে দেওয়া উচিত, রাজভবনে দরবার শুভেন্দুদের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: একটা শব্দের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Manerjee) নির্বাচিত সরকারকে ফেলে দেওয়ার আর্জি নিয়ে রাজ্যপালের (Governor) দ্বারস্থ হল বিজেপি (BJP)। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপির একটি প্রতিনিধি দল (Deligation) রাজভবনে যায়। সেখানে গিয়ে মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বক্তৃতা নিয়ে স্মারকলিপি দেওয়া হয় (Jihad)।

কী বলেছিলেন মমতা?

গতকাল পশ্চিম বর্ধমানে দলীয় সভা থেকে দিদি একুশে জুলাইকে বিজেপির বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করার দিন হিসেবে উল্লেখ করেছিলেন। ওই জেহাদ শব্দটি নিয়ে মঙ্গলবার রাত থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় মেরুকরণের অস্ত্রে শান দেওয়া শুরু করেছিল গেরুয়া শিবির। এদিন সেটাকে অন্যমাত্রায় নিয়ে গেলেন শুভেন্দুরা।

রাজ্যপালকে দেওয়া স্মারকলিপিতে বিজেপি লিখেছে, একুশে জুলাইকে জেহাদ দিবস উল্লেখ করে আসলে সংবিধানের নামে শপথ নেওয়া মুখ্যমন্ত্রী নৈরাজ্য কায়েম করতে চাইছেন। রাজভবন থেকে বেরিয়ে এসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “এই মুখ্যমন্ত্রীর আমলে তিনবার জেহাদ দেখেছে বাংলা। আর দেখতে চায় না।”

এরপরেই শুভেন্দু বলেন, “ওই একটা শব্দের জন্য এই সরকারকে ফেলে দেওয়া উচিত, মুখ্যমন্ত্রীকে সরিয়ে দেওয়া উচিত। ৩৫৬ ধারা জারি করা উচিত বাংলায়।”

সন্দেহ নেই বিজেপি জেহাদ শব্দটি অন্য দৃষ্টিভঙ্গি থেকে তুলে ধরতে চাইছে। অনেকের মতে, বিজেপি-র যে রাজনৈতিক পুঁজি—সেখান থেকেই শুভেন্দুরা রাজ্যপালের কাছে গিয়ে এই দাবি তুলেছেন এবং জেহাদ শব্দটির সঙ্গে নির্দিষ্ট একটি ধর্মের বিষয়কে জুড়ে দিতে চাইছেন।  

বিজেপির এই স্মারকলিপি পাওয়ার পর রাজ্যপাল আবার চিঠি লিখেছেন মুখ্যমন্ত্রীকে। সেখানে তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে লিখেছেন, এই শব্দটি যেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রত্যাহার করে নেন।

এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, “এরকম অনেক শব্দই রয়েছে যেগুলো এসেছে অন্য ভাষা থেকে। সেগুলো আমরা কথ্য ভাষায় ব্যবহার করি। তা কি কখনও ধর্ম দেখে হয়?” কুণাল আরও বলেন, “গতকাল আমরা গেছিলাম রাজভবনে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে নথি নিয়ে। সেটায় চাপে পড়ে গিয়ে আজকের এই নাটকটা মঞ্চস্থ হয়েছে। এর প্রযোজক রাজ্যপাল আর পরিচালনায় বিজেপি।”

You might also like