Latest News

Bengal Transport: পেট্রোপণ্যে আগুন! বাংলায় পরিবহণ সংকট, ৩৯ শতাংশ বাস বসে

রফিকুল জামাদার

হাওড়া থেকে গড়িয়া যাবেন? মরিয়া হয়ে বাস (Bus) খুঁজেছেন! কিন্তু পাচ্ছেন না।

বারুইপুর থেকে সল্টলেক যাবেন? আগে যে সরকারি বাস স্ট্যান্ড থেকে ছাড়ত ১৫ মিনিট অন্তর, এখন সেটা প্রায় চল্লিশ মিনিটের গ্যাপে (Bengal Transport)!

একদিকে বেসরকারি বাসে ইচ্ছে মতো ভাড়া নেওয়ার তাণ্ডব অন্যদিকে সরকারি বাসের সংখ্যা কমে যাওয়া– সব মিলিয়ে পেট্রোপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিবহণ সংকট তৈরি হয়েছে (Bengal Transport)। যা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন নিত্যযাত্রী থেকে সাধারণ মানুষ।

জ্বালানির দামের কারণে ৩৯ শতাংশ সরকারি বাস প্রায় কম চলছে। এহেন পরিস্থিতিতে সমাধান সূত্র বের করতে পরিবহণ দফতরের (Bengal Transport) কাছে রিপোর্টও চেয়েছিল নবান্ন। সেই রিপোর্ট পরিবহণ ভবন থেকে নবান্নে পৌঁছেছে কি না জানা যায়নি তবে সংকট যে তীব্র তা গোপন করছেন না পরিবহণের অনেক কর্তাই।

চলতি বছর জানুয়ারিতে এক গাড়ি বা ১২,০০০ লিটার ডিজেল কিনতে খরচ হত ১০.৪৩ লক্ষ টাকা। বর্তমানে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩.৫০ লক্ষ টাকা।

আরও পড়ুন: প্রিন্সিপাল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করল কলেজ সার্ভিস কমিশন, আবেদনের খুঁটিনাটি জানুন

বেসরকারি বাসের ক্ষেত্রে ভাড়া বেড়েছে। ইচ্ছে মতো ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ তুলছেন অনেকেই । বেসরকারি বড় বাসে ন্যূনতম ভাড়া সাত টাকা হওয়ার কথা। সরকার না বাড়ালেও কোনও এক জাদুকাঠিকর ছোঁয়ায় সেই ভাড়া দশ টাকা হয়ে গিয়েছে।

বেশকিছু বাস রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে পড়ে রয়েছে। বিশেষ করে এসি বাস। বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি বাসকে সর্বোচ্চ ট্রিপ করানো যাচ্ছে না বলে মত পরিবহণ কর্তাদের। তাই কমানো হয়েছে ট্রিপ।

ব্যাটারির বাস সারা শহরে মাত্র ১০০টির মত চলে। বেশিরভাগ সময় ৬০ থেকে ৬৫টির বেশি বাস চালানো যাচ্ছে না। কারণ কিছু বাস রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে পড়ে রয়েছে।

ভূতল পরিবহণে স্বাভাবিকভাবে চলে ১৭০-১৯৫ টি বাস। এখন চলছে ১০০ টির মতো বাস।

সিএসটিসি স্বাভাবিকভাবে চলে ৫৫০-৬৫৫টি। এখন চলছে ৪০০টির মতো। সিটিসির বাস চলে ৩৫০টি। এখন চলছে ১৬৫ টির মতো, প্রায় অর্ধেক।

বাস মালিকরা স্পষ্ট জানাচ্ছেন, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পাওয়াতে বাস চালানো সম্ভব হচ্ছে না। কারণ বাস চালানোর খরচ উঠছে না।

আরও একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, সরকারি বাসে যে সংস্থা থেকে পেট্রোল ভরানো হতো সেই সংস্থার কাছেও বকেয়া ছিল রাজ্যের। তাই তেল নেওয়াতে সমস্যা হচ্ছিল। যদিও এক পরিবহণ কর্তার দাবি, সেই সমস্যা মিটে গেছে। বকেয়া টাকার জন্য কোনও সমস্যা নেই। পেট্রোলের দাম বৃদ্ধিই আসল কারণ।

You might also like