Latest News

উচ্চমাধ্যমিকে রেজাল্ট বিভ্রাট ১৮ হাজারের, বিক্ষোভের ঘটনায় বিডিও-এসডিও’দের যেতে বলল নবান্ন

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মাধ্যমিকের পাশের হার ১০০ শতাংশ হওয়ার পর নানান মস্করা, টিকা, টিপ্পনী ছড়িয়ে পড়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। কিন্তু উচ্চমাধ্যমিকে তিন শতাংশের মতো ছাত্রছাত্রী অকৃতকার্য হওয়ার পরেই ক্ষোভের দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে রাজ্যজুড়ে। কোথাও ছাত্রছাত্রীরা স্কুলের গেটে তালা ঝুলিয়ে দিচ্ছে তো কোথাও টায়ার জ্বালিয়ে চলছে অবরোধ। পরিস্থিতি যখন এমনই তখন নবান্ন এ ব্যাপারে কালক্ষেপ করতে চাইছে না।

সূত্রের খবর, রাজ্য সরকারের তরফে জেলাশাসকদের উদ্দেশে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, যেখানে এই ধরনের বিক্ষোভ হবে সেখানেই যেন বিডিও বা এসডিও-রা পৌঁছে যান। তাঁরা গিয়ে যেন ছাত্রছাত্রীদের বোঝান, রাজ্য সরকার এবং উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ এ ব্যাপারে ওয়াকিবহাল রয়েছে। মুখ্যসচিবের পরামর্শে জেলায় জেলায় এই নির্দেশ পাঠিয়েছেন উচ্চশিক্ষা সচিব মনীশ জৈন।

সব মিলিয়ে রাজ্যে প্রায় ১৮ হাজার পরীক্ষার্থীর এবার রেজাল্ট নিয়ে সমস্যা আছে। বেশিরভাগই উত্তীর্ণ হতে পারেননি। অনেকের নম্বর বিভ্রাট ঘটেছে।

কোভিডের কারণে এবার পরীক্ষা হয়নি। একাদশ শ্রেণির ফলাফলের ভিত্তিতে। কিন্তু মাধ্যমিকে ১০০ শতাংশ পাশ করার পর অনেকেই ভেবেছিলেন, উচ্চমাধ্যমিকে ক্ষেত্রেও তাই হবে। কিন্তু তা না হওয়াতেই দেখা গিয়েছে ক্ষোভের আগুন জ্বলছে রাজ্যের জেলায় জেলায়। জেলাশাসকদেরও পৃথক ভাবে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার।

নবান্ন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, মুখ্যসচিব হরেকৃষ্ণ দ্বিবেদী উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারপার্সনকে বলেছেন, স্কুলগুলি থেকে অকৃতকার্যদের যাবতীয় তথ্য এক জায়গায় করতে। এবং তা ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

পরীক্ষা যখন হয়নি তখন কী ভাবে ছাত্রছাত্রীদের ফেল করানো হল তা নিয়েও শিক্ষামহলের অনেকের প্রশ্ন রয়েছে। তাঁদের মতে, মূল্যায়ন পদ্ধতিতেই গলদ ছিল সংসদের। কিন্তু সামগ্রিক ভাবে ছাত্রদের বিক্ষোভ যত দিন যাচ্ছে তত অন্য মাত্রায় চলে যাচ্ছে। সঙ্গে থাকছেন অভিভাবকরাও। সব মিলিয়ে উচ্চমাধ্যমিকের ফলাফল নিয়ে তীব্র অস্বস্তিতে রাজ্যের শিক্ষা দফতর। এবার বিক্ষোভ স্থলে পৌঁছে ছাত্রছাত্রীদের বোঝানোর বার্তা গেল স্থানীয় প্রশাসনের উপর।

You might also like