Latest News

Basanti Murder: বউকে গলা টিপে খুন, মরেছে কিনা নিশ্চিত করতে বিষও, গোটা শ্বশুরবাড়ির লোকজন পলাতক

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গৃহবধূকে শ্বাসরোধ করে খুন করার অভিযোগ উঠল স্বামী সহ শ্বশুর বাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে। ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই হই চই পড়ে গিয়েছে বাসন্তী থানার অন্তর্গত রামচন্দ্র খালি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬ নম্বর সোনাখালির মঞ্চুর মোড় এলাকায় (Basanti Murder)। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে খবর, মৃত গৃহবধূর নাম তবাসুম খাতুন বিবি (২৩)। তাঁকে প্রথমে শ্বাসরোধ করে তাঁকে খুন করা হয়, পরে বিষ খাওয়ানো হয়। ঘটনার পর থেকেই পলাতক গৃহবধূর স্বামী, শ্বশুর ও শাশুড়ি।

স্থানীয় সূত্রে খবর, গৃহবধূর স্বামীর নাম সরিফুল মোল্লা। পেশায় রাজমিস্ত্রি সরিফুলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে হালদার পাড়া এলাকার মহিলা তবাসুমের সঙ্গে। এরপর দুই পরিবারের সম্মতিতে তাঁদের বিয়ে হয়। একটি দেড় বছরের পুত্রসন্তানও আছে তাঁদের। বিয়ের পর থেকেই তবাসুম বাসন্তীর ৬ নম্বর সোনাখালির মঞ্চুর মোড় এলাকায় শ্বশুর বাড়িতে থাকছিলেন।

অভিযোগ, বিয়ের যৌতুক ও পণের দাবিতে প্রতিনিয়ত স্বামী সহ শ্বশুর ও শাশুড়ি শারীরিক ও মানসিক অত্যাচার করত ওই তবাসুমের উপর। শ্বশুর বাড়ির অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে একমাত্র পুত্র সন্তানকে নিয়ে ২০২০ সালে লকডাউন শুরুর কয়েকদিন আগেই ওই গৃহবধু হালদার পাড়ায় তার বাপের বাড়িতে চলে আসে। দীর্ঘপ্রায় দু’বছর বাপের বাড়িতে থাকার পর চলতি বছর জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহে পারিবারিক আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে ফের শ্বশুর বাড়িতে ফিরে যান।

কিন্তু কমেনি অত্যাচারের মাত্রা। বরং আগের তুলনায় বেড়েছিল। বৃহষ্পতিবার সকালে আবারও অশান্তি শুরু হয় ওই দম্পতির মধ্যে। অভিযোগ সেই সময় ওই গৃহবধুকে বেধড়ক মারধর করা হয়। তারপর তাঁকে শ্বাসরোধ করে খুন করে তার স্বামী। পরে প্রমাণ লোপাটের জন্য তার মুখে বিষ ঢেলে দিয়ে পালিয়ে যায়। পরক্ষণে এমন ঘটনা নজরে পড়ে গৃহবধুর ননদ মাফুজা মোল্লার।

তিনিই প্রতিবেশীদের হাঁকডাক করে ডেকে আনেন। পরে ওই তবাসুমকে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করে।ঘটনার বিষয়ে লোক জানাজানি হতেই খবর যায় পুলিশের কাছে। বাসন্তী থানার পুলিশ খবর পেয়ে বৃহষ্পতিবার রাতেই ওই বধূর দেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। মৃত্যুর কারণ জানতে দেহটি ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়।

অন্যদিকে মেয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে বাসন্তী থানায় হাজির হয় তবাসুমের বাবা আজাদ শেখ, মা আমেদা বিবি ও প্রতিবেশী ফিরোজ আলম। তাঁরা ঘটনার বিবরণ জানিয়ে বাসন্তী থানায় ওই গৃহবধুর স্বামী সরিফুল মোল্লা, শ্বশুর মুছা মোল্লা ও শাশুড়ি ফরিদা মোল্লা বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে বাসন্তী থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত অভিযুক্তদের এখনও ধরতে পারেনি।

‘পড়তে ভাল লাগে না’, মোবাইলের নেশায় স্কুল পালিয়ে হোটেলে কাজ নিল ডেবরার দুই ছাত্র

You might also like