Latest News

Bardhaman: জালনোটের তদন্তে খাগড়াগড়ে ধৃতের বাড়ির জলের ট্যাঙ্কেও তল্লাশি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ধৃত গোপাল সিংকে নিয়ে খাগড়াগড়ের জাল নোট কারখানায় তল্লাশি চালাল বর্ধমান (Bardhaman) থানার পুলিশ। ডিএসপি হেড কোয়ার্টার অতনু ঘোষাল এবং বর্ধমান থানার আইসি সুখময় চক্রবর্তীর নেতৃত্বে পুলিশ কর্মীরা শনিবার সকালে ধৃত ব্যক্তিকে নিয়ে খাগড়াগড়ের পূর্বপাড়ায় যান।

আরও পড়ুন: ‘তুমি কি মহম্মদ?’ গণপিটুনি বৃদ্ধকে, মৃত্যুর পর জানা গেল তিনি হিন্দু! বর্বরতা মধ্যপ্রদেশে

পূর্বপাড়ার যে বাড়িতে গোপাল সিং ভাড়া থেকে জালনোটের চক্র চালাত, সেই বাড়িতে জোরদার তল্লাশি চালানো হয়। বাড়ির ভিতরে থাকা তিনটি ঘরের সমস্ত আসবাবপত্র খুলে তল্লাশির পাশাপাশি ছাদে গিয়ে জলের ট্যাঙ্কে পর্যন্ত তল্লাশি চালানো হয় (Bardhaman)। ঘর থেকে বেশ কিছু ফাইল উদ্ধার করে পুলিশ। এইসব ফাইল থেকে বহু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে বলে পুলিশের অনুমান। তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছে কেমিক্যাল জার। এই জারে রাখা কেমিক্যাল জালনোট তৈরিতে ব্যবহার করা হত বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান।

ঘণ্টা দুয়েক ধরে এই তল্লাশি চলে। ঘটনার পর থেকে এলাকায় আতঙ্কের ছায়া। স্থানীয়রা (Bardhaman) চাইছেন দুষ্কৃতীদের উপযুক্ত শাস্তি হোক। বৃহস্পতিবার খাগড়াগড়ের পূর্ব মাঠপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে হানা দিয়ে জালনোট তৈরির কারখানার সন্ধান পায় পুলিশ। ঘটনাস্থল থেকেই দীপঙ্কর চক্রবর্তী, গোপাল সিংহ ও বিপুল সরকার নামে তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়। জালনোট তৈরির সাদা কাগজ, প্রয়োজনীয় ডাইস, মেশিন ও বিশেষ ধরনের পাউডার, কেমিক্যাল‌ও উদ্ধার করা হয়। ১২ হাজার ৫০০ টাকার জালনোট‌ও বাজেয়াপ্ত করে পুলিশ।

পুলিশসূত্রে জানা গেছে, চার-পাঁচ মাস আগে প্রাক্তন সেনাকর্মী সিরাজুল ইসলামের কাছ থেকে গোপাল সিং এই বাড়িটি ভাড়া নেয়। ধৃত গোপাল নিজেকে কখনও এলআইসি এজেন্ট, আবার কখনও মানবাধিকার কর্মী বলে পরিচয় দিত। স্থানীয়দের দাবি, বাড়ি ভাড়া নেওয়ার পর প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিশেষ মেলামেশা করত না ধৃতরা।

পুলিশ ও সিআইডি যৌথভাবে এই জালনোট তৈরির কারখানার বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে। ধৃতদের জেরা করে তদন্তকারী অফিসাররা জানার চেষ্টা করছেন ইতিমধ্যে তারা বাজারে কত টাকার জালনোট ছড়িয়ে দিয়েছে। এই জালনোট তৈরির চক্রের সঙ্গে আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠনগুলির যোগসাজশ আছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

You might also like