Latest News

Bankura: গন্ধেশ্বরী নদীর চরে মুখ্যমন্ত্রীর কর্মীসভা ঘিরে বাঁকুড়ায় বিতর্ক

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মুখ্যমন্ত্রীর (Mamata Banerjee) কর্মী সভাকে ঘিরে ফের বড়সড় বিতর্ক তৈরি হল বাঁকুড়ায় (Bankura)। অভিযোগ, পরিবেশ আদালতের নিষেধাজ্ঞা অগ্রাহ্য করে গন্ধেশ্বরী নদীর চরে সভাস্থল ঠিক করেছে তৃণমূল (TMC)। ইতিমধ্যেই প্রতিবাদ জানিয়ে পথে নেমেছে গন্ধেশ্বরী নদী বাঁচাও কমিটি, বিজ্ঞানমঞ্চ সহ একাধিক পরিবেশপ্রেমী সংগঠন। নদীর চরে কীভাবে সভার অনুমতি দিল প্রশাসন সেই প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছে বিরোধীরাও। তবে শাসকদলের পক্ষ থেকে অভিযোগ উড়িয়ে দাবি করা হয়েছে, সভাস্থল নদীর চরের অংশ নয়।

আগামী ৩১ মে বাঁকুড়ায় (Bankura) যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। পরের দিন অর্থাৎ পয়লা জুন বাঁকুড়ার সতীঘাট এলাকায় বুথ স্তরের কর্মীসভায় উপস্থিত থাকবেন তিনি। আর এই কর্মী সভাস্থলকে ঘিরেই শুরু হয়েছে বিতর্ক। বাঁকুড়া শহরের দুপ্রান্ত দিয়ে বয়ে গেছে গন্ধেশ্বরী নদী ও দ্বারকেশ্বর নদ। চর পড়ে যাওয়ায় আগেও গন্ধেশ্বরী নদী ও দ্বারকেশ্বরের গর্ভে সভা, সমিতি হয়েছে। বাম ও তৃণমূল সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এখানে সভা করেছে। একাধিক ধর্মীয় সংগঠনও একাধিকবার নদীর চরে সভা করায় তা নিয়ে বিতর্ক কম হয়নি। গতবছর একটি ধর্মীয় সংগঠন দ্বারকেশ্বর নদের চরে সমাবেশ করায় বিতর্ক চূড়ান্ত জায়গায় পৌঁছয়। নদীর চরে সভা রুখতে জাতীয় পরিবেশ আদালতের দ্বারস্থ হয় বাঁকুড়ার একাধিক পরিবেশ প্রেমী সংগঠন।

আদালত নদীর চরে সভা সমিতি বেআইনি বলে ঘোষণা করে। রাজ্যের সেচ দফতরও জানায় নদীর চরে আর কোনও সভা সমিতি করা যাবে না। কিন্তু বছর ঘুরতে না ঘুরতেই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল ফের নদীর চরেই সভার আয়োজন করল বলে অভিযোগ। গন্ধেশ্বরী নদী বাঁচাও কমিটির সদস্য সন্তোষ ভট্টাচার্য বলেন, “শাসক দল গায়ের জোরে নদীর বুকে সভা করছে। এর ফলে নদীর বাস্তুতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। পাশাপাশি নদীর বুকে বড় বড় যন্ত্র নামিয়ে সমতল করার কাজ চলায় নদীর নিজস্ব গতিপথ রুদ্ধ হয়ে বদলে যেতে পারে।”

নদীর উপর এই অত্যাচারের প্রতিবাদে ইতিমধ্যেই আন্দোলনে নেমেছে গন্ধেশ্বরী নদী বাঁচাও কমিটি ও পশ্চিমবঙ্গ বিজ্ঞানমঞ্চ। আজ বাঁকুড়ার মাচানতলায় ওই দুই সংগঠন যৌথভাবে পথসভাও করে। বাঁকুড়ার বিজেপি বিধায়ক নিলাদ্রী শেখর দানাও এই ঘটনার কড়া সমালোচনা করেছেন।

তবে তৃণমূলের দাবি, নদীর পাশে সভা হলেও তা নদীর অংশ নয়। তাই সভা হলেও নদীর বাস্তুতন্ত্রের কোনও ক্ষতি হবে না। তৃণমূলের বাঁকুড়া জেলা সভাপতি দিব্যেন্দু সিংহ মহাপাত্র বলেন, “নদী বাঁচিয়েই সভা হবে। নিজেদের অস্তিত্ব জানান দিতেই ওই সংগঠনগুলি এই অভিযোগ করছে। এর কোনও ভিত্তি নেই।”

এবার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ভিজিটর’ পদে রাজ্যপালের জায়গায় বসতে পারেন উচ্চশিক্ষামন্ত্রী

You might also like