Latest News

হাসিনার মাস্টারস্ট্রোক, বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য আইন তৈরি হচ্ছে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলাদেশে অবশেষে নির্বাচন কমিশন গঠনের জন্য আইন তৈরি হচ্ছে। এমাসেই সংসদের অধিবেশনে এই সংক্রান্ত আইনের বিল আনতে চলেছে শেখ হাসিনা সরকার।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের সঙ্গে দুদিন আগে বঙ্গ ভবনে দেখা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর দল আওয়ামি লিগের নেতৃবৃন্দ এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।

আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ শেষ হবে। তার আগে নতুন কমিশন গঠন নিয়ে প্রথা মত রাষ্ট্রপতি সব দলের মতামত শুনছেন। ৩২টি প্রথমসারির দলকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। বিরোধী দল বিএনপি – সহ সাতটি দল এই আলোচনায় অংশ নেয়নি। আইন তৈরির প্রস্তাব সম্পর্কে তারা বলেছে, ‘যেই লাউ, সেই কদু, বরং পচা কদু।’ আগে সরকার সরাসরি সিদ্ধান্ত নিত। এখন আইনের মাধ্যমে নেবে।

বাংলাদেশের এবছর স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর। কিন্তু এতদিন পর্যন্ত দেশটিতে নির্বাচন কমিশন গঠনের কোনও আইন ছিল না। প্রতিবারই জাতীয় নির্বাচনের আগে নতুন কমিশন গঠন করা হয়।

বাংলাদেশে আগামী বছর জাতীয় সংসদ নির্বাচন। বিগত দুটি নির্বাচনে সরকার ও শাসক দলের বিরুদ্ধে পুলিশ, সেনা ও নির্বাচন কমিশনকে কাজে লাগানোর অভিযোগ ওঠে। বিরোধীরা তা নিয়ে আন্তর্জাতিক দুনিয়ার দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করলেও তেমন সাড়া পায়নি। বিরোধী দলগুলি ব্রিটেন, আমেরিকার মত দেশগুলির দৃষ্টি আকর্ষণ করে।

কিন্তু নির্বাচন বাতিলের সিদ্ধান্তে কোনও দেশই সায় দেয়নি। তবু ঝুঁকি নিচ্ছে না আওয়ামি লিগ। বিরোধীরা গণতন্ত্র হত্যার অভিযোগ তুলেছে। তার প্রেক্ষিতে হাসিনা সরকার এবার মাস্টার স্ট্রোক দিল। তারা সরাসরি নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে আইন তৈরি করছে।

রাষ্ট্রপতির কাছে আওয়ামি লিগ আইন তৈরি সহ চারটি প্রস্তাব দেয়। বৈঠকে আওয়ামি লিগের তরফে দলের সুপ্রিমো শেখ হাসিনা অংশ নেন। নির্বাচন কমিশন আইন, নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করা ও নির্বাচনের প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে কয়েকটি প্রস্তাব দেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী।

তাতে বলা হয়, রাষ্ট্রপতিই প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের নিয়োগ করবেন। তিনিই উপযুক্ত ব্যক্তিদের বেছে নেবেন। আওয়ামি লিগ ইভিএম ব্যবহারে সওয়াল করে। ভোট গ্রহণে শুধুই সরকারি অফিসের কর্মী অফিসারদের নিয়োগের প্রস্তাব দেওয়া হয় শাসক দলের তরফে।

You might also like