Latest News

Ballygunge By-Election: দীপঙ্কর বলছেন নো ভোট টু বাবুল, বিলম্বিত বোধোদয়, বলছে সিপিএম

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিজেপি থেকে আসা বাবুল সুপ্রিয়কে বালিগঞ্জের তৃণমূল প্রার্থী করা নিয়ে ইতিমধ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন বেঙ্গল ইমামস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মহম্মদ ইয়াহিয়া (Ballygunge By-Election)। তিনি বলেছেন, যাঁর হাতে আসানসোলের দাঙ্গার রক্ত তাঁকে কখনও মেনে নেওয়া যাবে না। একুশের ভোটে ‘নো ভোট টু বিজেপি’ স্লোগানের অন্যতম স্রষ্টা সিপিআইএম লিবারেশনের (CPIML) সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্যও বাবুলকে ‘চাপিয়ে দেওয়া’ নিয়ে ক্ষোভ উগরে দিলেন। আহ্বান জানালেন সিপিএমের প্রার্থী সায়রা শাহ হালিমকে সমর্থনের জন্য। যাকে বিলম্বিত বোধোদয় বলে টিপ্পনি করেছে সিপিএম (CPM)।

বিহার ভোটের কথা মনে পড়ে?

২০২০ সালে বিহারে আরজেডি-কংগ্রেস জোটে সেই রাজ্যে সামিল হয়েছিল তিন বাম দল— সিপিআইএমএল লিবারেশন, সিপিএম এবং সিপিআই। তিন বাম দল আসন রফায় পেয়েছিল মাত্র ২৯টি আসন। ১৬টি আসন জিতেছিল তারা। তার মধ্যে লিবারেশন একাই জিতেছিল ১২টি। তারপর অতি বাম দলটির বাঙালি সাধারণ সম্পাদক বাংলার ভোটের আগের বছরে বলেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে বামপন্থী বন্ধুদের বোঝা উচিত বড় শত্রু বিজেপি। তৃণমূল ও কংগ্রেসকে সেই বন্ধনীতে ফেলা ঠিক হবে না।

জলপাইগুড়ির সম্প্রীতি, মুসলিম ফকিরের মাজারে প্রার্থনা করেন হিন্দুরাও!

দীপঙ্করের সেই বক্তব্য নিয়ে বাংলার বাম মহলে তোলপাড় পড়ে গিয়েছিল। সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছিলেন, বিহার আর বাংলা এক নয়। বাংলায় তৃণমূল আর বিজেপি—দুই শক্তির বিরুদ্ধেই বামপন্থীদের লড়াই।

cpiml

তারপর দেখা গিয়েছিল নো ভোট টু বিজেপি স্লোগান কফি হাউসের কেদারা, টেবিল ডিঙিয়ে প্রগতিশীলদের মননে গেঁথে গিয়েছে। পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, ওই স্লোগানে বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার কথা বললেও পরোক্ষে বলা হয়েছিল, তৃণমূলকেই ভোট দিন। কারণ বিজেপির মতো ‘ভয়ঙ্কর’ শক্তিকে যদি বাংলায় রুখতে হয় তাহলে এখন তৃণমূল ছাড়া কেউ পারবে না।

এদিন সেই লিবারেশনের সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্করবাবু ফেসবুকে লিখেছেন, ‘প্রয়াত সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের শূন্যস্থান পূরণ করার জন্যই শুধু বালিগঞ্জের উপনির্বাচন নয়। একুশের ভোটে যাঁরা বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছিলেন এটা তাঁদের মর্যাদা রক্ষার লড়াই। বাবুল সুপ্রিয়র মতো প্রার্থীকে চাপিয়ে দিয়ে তৃণমূল একুশের রায়কে কখনও অসম্মান করতে পারে না। তাই সিপিএম প্রার্থী সায়রা শাহ হালিমকে ভোট দিন।’

সায়রা শাহ হালিম অভিনেতা নাসিরুদ্দিন শাহের ভাইঝি এবং প্রয়াত হাসিম আবদুল হালিমের ছেলে সিপিএম নেতা ফুয়াদ হালিমের স্ত্রী। বিহারের মাটিতে সিপিএম ও লিবারেশন বন্ধু হলেও এ রাজ্যে দুই দলের সখ্য নেই। বামফ্রন্টের বাইরের বাম দল হিসেবে যৌথ কর্মসূচিতে থাকলেও ভোটে ঐক্য হয় না তাদের। তাই এদিন দীপঙ্করের সরাসরি সিপিএম প্রার্থীকে সমর্থনের কথা শুনে অনেক সিপিএম নেতাই অবাক হয়েছেন। সিপিএম নেতা শমীক লাহিড়ি সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘বিলম্বিত বোধোদয়। ভাল।’

You might also like