Latest News

নাড্ডার বাড়িতে বাবুল, ‘কভি আলবিদা না কহে না!’

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাবুল সুপ্রিয় বলেছিলেন, চললাম। আলবিদা। তার পর দিলীপ ঘোষরা যাই মন্তব্য করুন, দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব যে তাঁকে এ ভাবে যেতে দিতে চান না, তা আগেই বোঝা যাচ্ছিল। বাবুলকে আরও একবার বোঝাতেই সোমবার সন্ধ্যায় নয়াদিল্লিতে তাঁর বাসভবনে বাবুলকে ডেকে পাঠালেন বিজেপি সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা। রাত সওয়া ৮ টা নাগাদ এই প্রতিবেদন যখন লেখা হচ্ছে তখনও নাড্ডার বাড়িতে রয়েছেন বাবুল। কথা চলছে।

দু’জনের মধ্যে কী কথা হচ্ছে, তা এখনই সাদা কালোয় জানা সম্ভব নয়। তবে দলের এক কেন্দ্রীয় নেতা মজা করে বলেন, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের একটি জনপ্রিয় গান উদ্ধৃত করে বাবুল ফেসবুক পোস্টে লিখেছিলেন, এক গোছা রজনীগন্ধা হাতে নিয়ে বললাম, চললাম। আলবিদা। এর পর নিশ্চয়ই নাড্ডাজি ওঁকে বোঝাচ্ছেন, চলতে চলতে মেরে ইয়ে গীত ইয়াদ রাখ না, কভি আলবিদা না কহে না!

বিজেপির ওই কেন্দ্রীয় নেতার কথায়, রাজনীতিতে বাবুল পরিপক্ক বা পরিণত নয়। এরকম ঘাত প্রতিঘাত অনেক আসে। মানুষ আবার ঘুরে দাঁড়ায়। প্রবীণ নেতা রবিশঙ্কর প্রসাদ, প্রকাশ জাভরেকর পর্যন্ত মন্ত্রিত্ব খুঁইয়েছেন। তাঁরা কিন্তু মুখ বুজে দলের কাজ করে যাচ্ছেন।

বস্তুত বাবুল যে রাজনীতি ছাড়তে পারেন তেমন ইঙ্গিত ভোটের কিছুদিন পর থেকেই দিচ্ছিলেন। শেষমেশ গত শনিবার ফেসবুকে পোস্ট করে আসানসোলের বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় জানিয়ে দেন, তিনি আর রাজনীতিতে থাকছেন না। সাংসদ পদ থেকেও ইস্তফা দেবেন।

সন্দেহ নেই বাবুল বিজেপি ছাড়লে, রাজ্যে গেরুয়া বাহিনীর জন্য তা খুবই অস্বস্তির কারণ হতে পারে। তা ছাড়া সে ক্ষেত্রে আসানসোল আসনে লোকসভার উপনির্বাচন অনিবার্য হয়ে উঠবে। যা বিজেপির জন্য আরও চিন্তার। কারণ, বিধানসভা ভোটে আসানসোলের ৭ টি আসনের মধ্যে ৫ টিতেই হেরেছিল বিজেপি। অর্থাৎ উপ নির্বাচন হলে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে পদ্মকে।

You might also like