Latest News

সংখ্যালঘুদের ওপরে আক্রমণ নিয়ে রিপোর্ট চাইল ত্রিপুরা হাইকোর্ট

দ্য ওয়াল ব্যুরো : অভিযোগ, বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হিংসার (Communal Violence) প্রেক্ষিতে ত্রিপুরাতেও সংখ্যালঘুদের সম্পত্তির ওপরে হামলা হয়েছে। শুক্রবার ত্রিপুরা হাইকোর্ট রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিল, সত্যিই যদি এমন কিছু ঘটে থাকে, তা নিয়ে রিপোর্ট দিতে হবে ১০ নভেম্বরের মধ্যে। ত্রিপুরা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি ইন্দ্রজিৎ মহান্তি এবং বিচারপতি শুভাশিস তলাপাত্র রাজ্য সরকারকে ওই নির্দেশ দেন। তাছাড়া সোশ্যাল মিডিয়ায় গত কয়েকদিন ধরে যে ভুয়ো খবর ছড়ানো হয়েছে, সে বিষয়েও রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।
ত্রিপুরা হাইকোর্ট বলেছে, আমরা রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিচ্ছি, যে সোশ্যাল মিডিয়াগুলিতে ভুয়ো খবর ও ভিডিও ছড়িয়েছিল, তাদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নিতে হবে। ওই ধরনের পোস্ট সরিয়ে ফেলতে হবে দ্রুত। আদালত বলেছে, সোশ্যাল মিডিয়াকে দায়িত্বশীল হতে হবে। ভুয়ো খবর এবং সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ছড়ানোর জন্য কেউ যেন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার না করতে পারে।
গত শুক্রবার রাজ্য সরকার হাইকোর্টে জানায়, ধর্মস্থানগুলিতে যথেষ্ট নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়ো পোস্টের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। ত্রিপুরা সরকারের অভিযোগ, রাজ্যে অশান্তি সৃষ্টি করতে চায় ‘বহিরাগত শক্তি’। তারা ধর্মস্থানে আগুন দেওয়ার ভুয়ো ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে। তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ন’টি পৃথক মামলা করা হয়েছে।
তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরি বলেন, “পুলিশ তদন্ত করে দেখেছে, পানিসাগরে কোনও ধর্মস্থানে আগুন দেওয়া হয়নি। যদিও সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে তেমনই দাবি করা হয়েছিল।” এক ভিডিও বার্তায় সুশান্ত চৌধুরি বলেন, “গত ২৬ অক্টোবর ধর্মস্থানে আগুন দেওয়ার ভুয়ো ছবি প্রকাশিত হয়। বহিরাগতরা ওই পোস্ট ছড়িয়েছিল। তাদের উদ্দেশ্য ছিল ত্রিপুরায় অশান্তি ছড়িয়ে উন্নয়নের কাজে বাধা দেওয়া।”

You might also like