Latest News

কেকটা দারুণ, আর একটু খাব! ১১৭ বছরের জন্মদিনে আবদার করলেন পৃথিবীর প্রবীণতম বৃদ্ধা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১১৭তম জন্মদিন পালন করলেন কেন তানাকা। এক বছর আগেই বিশ্বের প্রবীণতম জীবিত মহিলা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিলেন জাপানের এই বৃদ্ধা। পার করে ফেললেন আরও একটা বছর। জন্মদিনটা অবশ্য নার্সিংহোমেই কাটাতে হল। তবে আনন্দের কমতি নেই। ২ তারিখের জন্মদিন উপলক্ষে রবিবার দিনভর হাসপাতালেই চলে পার্টি। শুভাকাঙ্ক্ষী আর দর্শনার্থীদের ভিড়ে মিশেছিল সংবাদমাধ্যমও।

কেক কাটার পরে একটা টুকরো মুখে দিয়ে তিনি বলেন, “খুব ভাল খেতে।” সেই সঙ্গে অপূর্ব এক হাসি। এর পরে হেসেই বলেন, “আর একটু খাব।” হাততালি দিয়ে ওঠেন পার্টিতে উপস্থিত সকলে।

আট ভাইবোনের মধ্যে বাবা-মায়ের সপ্তম সন্তান ছিলেন কেন তানাকা। দক্ষিণ-পশ্চিম জাপানের ফুকুওকায় ১৯০৩ সালের ২ জানুয়ারি তাঁর জন্ম। ১৯২২ সালে হাদি তানাকা নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। নিজের চার সন্তান ছাড়াও আরও এক সন্তানকে দত্তক নিয়েছেন তিনি। পাঁচ সন্তানের এই জননী সারা জীবন নিজের কাজ নিজেই করেছেন। সম্প্রতি, বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভর্তি রয়েছেন হাসপাতালে।

কেন তানাকার পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, আজীবন কোনও রকম আলসেমি করেননি তিনি। শীত-গ্রীষ্ম-বর্ষা সব সময়ই ঘড়ি ধরে ভোর ৬টায় উঠে পড়েন। নিজের সব কাজ সারেন ঘড়ি ধরে। পরিমিত খাওয়াদাওয়ার সঙ্গে করেন নিয়মিত শরীরচর্চাও। আলাদা করে কোনও রোগ অসুখ কখনওই বাসা বাঁধেনি শরীরে। অবসর সময়ে তানাকার পছন্দের কাজ নানারকম অঙ্ক করা।

তানাকার আগে সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তির রেকর্ড ছিল জাপানেই। চিও মিয়াকো নামের সেই মহিলার মৃত্যু হয় ১১৭ বছর বয়সে, ২০১৮ সালের জুলাইয়ে। মিয়াকোর আগেও সবচেয়ে বয়স্ক ব্যক্তির রেকর্ড ছিল আর এক জাপানির।

জাপানের একটি সূত্র বলছে, সে দেশের মানুষের গড় আয়ু বেড়ে গিয়েছে অনেকটাই। ফলে এখন বৃদ্ধ মানুষের সংখ্যা অনেকটা বেশি। সেই তুলনায় সদ্যোজাত শিশুর সংখ্যা কমছে। গত বছরের পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৯ সালে ন’লক্ষেরও কম শিশু জন্মেছে জাপানে। ২০১৮ সালের তুলনায় এই জন্মের হার প্রায় ৬ শতাংশ কম।

You might also like