Latest News

অসমে বিরোধী জোটের ২২ জন প্রার্থীকে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হল জয়পুরে

দ্য ওয়াল ব্যুরো : আগামী ২ মে অসমে ভোটের ফল প্রকাশিত হবে। বিরোধীরা আশঙ্কা করছেন, তার আগেই বিরোধী জোটের প্রার্থীদের লোভ দেখিয়ে নিজেদের পক্ষে টানতে পারে বিজেপি। সেজন্য ২২ জন বিরোধী প্রার্থীকে উড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে কংগ্রেস শাসিত রাজস্থানের জয়পুরে। সেখানে এক হোটেলে তাঁদের ‘নিরাপদে’ রাখা হয়েছে।

কংগ্রেসের রণদীপ সুরজেওয়ালা শুক্রবার বলেন, “বিজেপি অনেক সময় হেরে গিয়ে কংগ্রেসের দল ভাঙাতে চায়। তাই কংগ্রেস জোটকেও সতর্ক হতে হয়েছে।” ২৭ মার্চ থেকে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত তিন দফায় ভোট হয়েছে অসমে। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন মহাজোটে আছে এআইইউডিএফ, জিমোচয়ন (দেওরি) পিপলস পার্টি, আদিবাসী ন্যাশনাল পার্টি, সিপিএম, সিপিআই, সিপিআই এম-এল, আঞ্চলিক গণ মোর্চা, বড়োল্যান্ড পিপলস পার্টি ও রাষ্ট্রীয় জনতা দল। এই মহাজোটের নেতৃত্বে আছে কংগ্রেস।

ভোটের আগে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং অসমের ভোটারদের কাছে আবেদন জানিয়েছেন, ‘ভেবেচিন্তে ভোট দিন। যে দল সংবিধানকে মেনে চলবে, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ মেনে চলবে, তাকেই ভোট দিন।’ ৮৮ বছর বয়সী মনমোহন সিং ১৯৯১ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত অসম থেকে রাজ্যসভায় নির্বাচিত হয়েছেন।
ভিডিও বার্তায় মনমোহন সিং বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে অসম ছিল অসম ছিল আমার সেকেন্ড হোম।” রাজ্যের দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হিতেশ্বর শইকিয়া ও তরুণ গগৈ-এর সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্বের কথাও স্মরণ করিয়ে দেন মনমোহন। তাঁর কথায়, “অসমের মানুষ আমাকে অর্থমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দেশসেবা করার সুযোগ দিয়েছেন। আমি আজ আপনাদের একজন হিসাবেই কথা বলছি। আরও একবার আপনাদের ভোট দেওয়ার সময় এসেছে… বিবেচনা করে ভোট দেবেন।”
তরুণ গগৈ-এর প্রশংসা করে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলেন, অসমের মানুষ দীর্ঘদিন জঙ্গি তৎপরতার শিকার হয়েছেন। তরুণ গগৈ-এর আমলেই অসম শান্তি ও উন্নয়নের পথে যাত্রা শুরু করে। এরপরেই মনমোহন বলেন, “এখন খুব গুরুতর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। ধর্ম, ভাষা ও সংস্কৃতির ভিত্তিতে সমাজকে ভাগ করা হচ্ছে। চারদিকে উত্তেজনা ও আতঙ্কের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। নোটবন্দি ও জিএসটি-র জন্য অর্থনীতি দুর্বল হয়ে পড়েছে।”
করোনা অতিমহামারীর কথা উল্লেখ করে মনমোহন বলেন, লক্ষ লক্ষ মানুষ চাকরি হারিয়েছেন। যুবকরা মরিয়া হয়ে চাকরি খুঁজছে। গরিবরা আরও গরিব হচ্ছে। করোনার পরে অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে।

You might also like