Latest News

‘মানুষের জন্য কাজ করব, একদিন আমার জন্য আপনি গর্বিত হবেন!’ এনসিবি-কর্তাকে বললেন আরিয়ান

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরিয়ানকে (Aryan) আরও তিন দিন জেলে থাকতে হবে, তার পরে মাদক-মামলার পরবর্তী শুনানি। সেখানে তাঁর জামিন হবে কিনা, সেদিকেই চোখ বি-টাউনের। তার আগে পর্যন্ত এখন কাউন্সেলিং চলছে শাহরুখ-পুত্রের। এ বিষয়ে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছেন আরিয়ান, এমনটাই জানিয়েছে এনসিবি। এমনকি তিনি তদন্তকারীদের কথা দিয়েছেন, আর নেশা করবেন না, জেল থেকে বেরিয়ে প্রান্তিক মানুষদের জন্য কিছু করবেন। এখানেই শেষ নয়, আরিয়ান এনসিবি-র মুম্বই ইউনিটের ডিরেক্টর সমীর ওয়াংখেড়েকে কথা ওদিয়েছেন, একদিন নাকি তাঁকে নিয়ে গর্ব করার মতো কাজ করবেন তিনি।

এর আগে আরিয়ানের মাদক-মামলার শুনানি ছিল ১৫ অক্টোবর। সেদিন হলফনামায় এনসিবি আদালতকে জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক মাদকচক্রের সঙ্গে যোগ রয়েছে শাহরুখ-পুত্রের। এনসিবির পক্ষের আইনজীবী অনিল সিং আরিয়ানের জামিন খারিজের জন্য আদালতে সওয়াল করেছিলেন, কয়েকবছর ধরে প্রায় প্রতিদিনই মাদক সেবন করতেন আরিয়ান খান। সেই সঙ্গে বলেছিলেন, ‘এটা মহাত্মা গান্ধীর দেশ। এই ধরনের স্বভাব দেশের যুবদের খারাপ পথে চালিত করবে।’

আরিয়ানের আইনজীবী পাল্টা দাবি করেন, তাঁর মক্কেলের কাছে কোনও মাদক পাওয়া যায়নি। আন্তর্জাতিক মাদকচক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগও ভিত্তিহীন। আদালত যেন মানবিক দিক থেকে আরিয়ানের পরিস্থিতি বিবেচনা করে।

সব শোনার পরে ওই দিন মুম্বই দায়রা আদালতে রায়দান স্থগিত রাখেন বিচারকরা।

সূত্রের খবর, মাদক মামলায় যে সব তরুণ-যুবকের গ্রেফতার করা হয়, তাঁদের কাউন্সেলিংও করানো হয় এনসিবির তরফে। বিশেষ করে যদি কেউ প্রথমবার গ্রেফতার হন বা তাঁর মধ্যে মাদক নেওয়ার কোনও লক্ষণ দেখা যায়, তাহলে আরও বেশি জোর দেওয়া হয় কাউন্সেলিংয়ে। সাধারণত মামলা সংক্রান্ত জিজ্ঞাসাবাদ শেষ হলেই এই কাউন্সেলিং শুরু হয়।

পাঁউরুটি, ভেলপুরী, সিঙাড়া, বড়াপাও! জেলের ক্যান্টিন থেকে এসবই খাচ্ছেন আরিয়ান

আরিয়ানের ক্ষেত্রেও তেমনটাই হচ্ছে। আর্থার জেলে বন্দি রয়েছেন তিনি। চলছে তাঁর কাউন্সেলিং। সেখানেই সমীর ওয়াংখেড়ের সামনে খোলাখুলি কথা বলেছেন আরিয়ান, নিজের ভুল স্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, “আমি একদিন এমন কিছু করব, যাতে আপনি গর্বিত হবেন।”

গত ৩ অক্টোবর মুম্বইয়ের বিলাসবহুল রেভ পার্টি থেকে গ্রেফতার হয়েছিলেন আরিয়ান খান। মাদক মামলায় তার হাতে হাতকড়া পরিয়েছিল এনসিবি। জেরার মুখে শাহরুখ পুত্র স্বীকার করে নিয়েছিলেন তিনি মাদক নিয়েছেন। অক্টোবরের সাত তারিখে আর্থার রোড জেলে পাঠানো হয় আরিয়ানকে।

জনপ্রিয়তার শিখর থেকে এক ধাক্কায় আরিয়ানের পরিচয় হয়েছে আর্থার রোড জেলের ‘কয়েদি নম্বর ৯৫৬’। বৃহস্পতিবারই এই নতুন নম্বর পেয়েছেন আরিয়ান। জেল চলছে জেলের নিয়মে। আর সেই নিয়মের সঙ্গেই তাল মিলিয়ে দিন কাটাতে হবে আরিয়ানকে, অন্তত যতদিন না তিনি জামিন পাচ্ছেন।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা ‘সুখপাঠ’

You might also like