Latest News

জেল ক্যানটিন থেকে খাবার কেনার জন্য আরিয়ানকে পাঠানো হল ৪৫০০ টাকা

দ্য ওয়াল ব্যুরো : কিছুদিন আগেই শোনা গিয়েছিল, জেলের খাবার খেতে পারছেন না সুপারস্টার শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান (Aryan)। তিনি শুধু বিস্কুট খেয়ে আছেন। শুক্রবার জানা গেল, বাড়ি থেকে তাঁর জন্য পাঠানো হয়েছে সাড়ে চার হাজার টাকা। ওই টাকায় আরিয়ান মুম্বইয়ে আর্থার রোড জেলের ক্যানটিন থেকে খাবার কিনতে পারবেন। কোনও বন্দিকে বাড়ি থেকে সর্বাধিক সাড়ে চার হাজার টাকা পাঠানো যায়।

ইতিমধ্যে ভিডিও কলে ১০ মিনিট বাড়ির লোকজনের সঙ্গে কথাও বলেছেন আরিয়ান। এর আগে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বন্দিরা সপ্তাহে দু’বার ভিডিও কলে বাড়ির লোকের সঙ্গে ১০ মিনিট করে কথা বলতে পারবেন। কোভিড পরিস্থিতির জন্য ওই নির্দেশ দেওয়া হয়। আরিয়ান অবশ্য এক সপ্তাহে মাত্র একবারই ভিডিও কলে কথা বলেছেন।

জেলের সুপারনটেনডেন্ট নীতিন ওয়েচাল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আদালত যদি কোনও নির্দেশ না দেয়, তাহলে শাহরুখ-পুত্রকে বাইরের খাবার দেওয়া হবে না। তাঁকে জেলের খাবারই দেওয়া হবে।

গত ৩ অক্টোবর মুম্বইয়ের বিলাসবহুল রেভ পার্টি থেকে গ্রেফতার হয়েছিলেন আরিয়ান খান। মাদক মামলায় তার হাতে হাতকড়া পরিয়েছিল এনসিবি। জেরার মুখে শাহরুখ পুত্র স্বীকার করে নিয়েছিলেন তিনি মাদক নিয়েছেন। এনসিবি দাবি করেছে, আন্তর্জাতিক মাদক চক্রের সঙ্গে যুক্ত আরিয়ান ও তাঁর সঙ্গীরা।

আরিয়ানকে যখন নার্কোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর অফিসে নিয়ে আসা হয়, তখন তাঁর আশপাশে ছিল এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি। একটি ভাইরাল হওয়া ছবিতে তার মুখ দেখা গিয়েছে। তাকে নিয়ে ঘনিয়ে উঠেছে রহস্য। সেই লোকটিকে খুঁজে পাওয়ার জন্য লুক আউট নোটিশ জারি করেছে পুনে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, ওই ব্যক্তির নাম কে পি গোসাবি। ২০১৮ সালে তার নামে জোচ্চুরির মামলা হয়েছিল। তখন থেকে সে আত্মগোপন করে আছে। লুক আউট নোটিশ জারির ফলে সে দেশ ছেড়ে পালাতে পারবে না। পুনে পুলিশের কমিশনার অমিতাভ গুপ্ত জানিয়েছেন, গোসাবির নামে ফরাসখানা থানায় অভিযোগ জমা পড়েছিল।

নার্কোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো জানিয়েছে, আরিয়ানদের বিরুদ্ধে মামলায় যে ন’জন সাক্ষী জোগাড় করা হয়েছে, গোসাবি তাদের মধ্যে একজন। সে নার্কোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরোর কোনও অফিসার বা কর্মী নয়। মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নবাব মালিক ইতিমধ্যে এনসিবি-র অফিসে গোসাবির উপস্থিতি নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন।

মহারাষ্ট্র পুলিশ বলেছে, ২০১৮ সালে গোসাবি পুনের এক ব্যক্তির থেকে মালয়েশিয়ায় চাকরি করে দেবে বলে টাকা নিয়েছিল। চিন্ময় দেশমুখ নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ করেন, গোসাবি তাঁর থেকে ৩ লক্ষ ৯ হাজার টাকা নিয়েছে। গোসাবি সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দিয়ে বলেছিল, মালয়েশিয়ায় কয়েকটি হোটেলে কিছু পদ ফাঁকা আছে। চাকরি করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে সে চিন্ময়ের থেকে দফায় দফায় টাকা নেয়। সে বলেছিল, চাকরি করে দিতে না পারলে টাকা ফেরত দেবে। কিন্তু ফেরত দেয়নি।

You might also like