Latest News

পাঁউরুটি, ভেলপুরী, সিঙাড়া, বড়াপাও! জেলের ক্যান্টিন থেকে এসবই খাচ্ছেন আরিয়ান

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জেলের খাবার মুখে তুলতে পারছিলেন না আরিয়ান খান (Aryan), তাই বাড়ি থেকে পাঠানো হয়েছিল সাড়ে চার হাজার টাকা। সেই টাকা দিয়েই এবার পাঁউরুটি, ভেলপুরী, সিঙাড়া, বড়পাও– এসব খাবার জেলের ক্যান্টিন থেকে কিনে খাবার অনুমতি পেলেন ২৩ বছরের আরিয়ান। ২০ অক্টোবর তাঁর মাদক-মামলার পরবর্তী শুনানি, ততদিন জেলেই থাকবেন আরিয়ান।

৩ অক্টোবর ধরা পড়ার পর থেকে জেলে রয়েছেন আরিয়ান। তার পর থেকেই জেলের খাবার খেতে পারছিলেন না সুপারস্টার শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান। তিনি শুধু বিস্কুট খেয়ে ছিলেন। এর পরেই বাড়ি থেকে তাঁকে টাকা পাঠানো হয়, জেলের ক্যানটিন থেকে খাবার কিনে খাওয়ার জন্য। কোনও বন্দিকে বাড়ি থেকে সর্বাধিক সাড়ে চার হাজার টাকা পাঠানো যায়।

সুপারনটেনডেন্ট নীতিন ওয়েচাল স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, আদালত যদি কোনও নির্দেশ না দেয়, তাহলে শাহরুখ-পুত্রকে বাইরের কোনও খাবার বা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার দেওয়া হবে না। তাঁকে জেলের খাবারই দেওয়া হবে। মন্নত থেকে খাবার এসেওছিল একদিন তাঁর জন্য, কিন্তু জেলের নিয়ম অনুযায়ী তা আরিয়ানের কাছে পৌঁছতে দেওয়া হয়নি।

কোহলিদের কোচ হচ্ছেন দ্রাবিড়, ভারতীয় ক্রিকেটে শুরু হচ্ছে নতুন অধ্যায়

জানা গেছে আর্থার রোড জেলের ক্যান্টিনে পাওয়া যায় পাঁউরুটি, ভেলপুরি, বাটলি, বড়া পাও, পাওভাজি, নমকিন, সিঙাড়া, চিকেন থালি, এগ থালি, জ্যুস, মিনারেল ওয়াটার। এক জেলকর্তার কথায়, “জেলের খাবার যথেষ্ট ভাল মানের, পুষ্টিগুণের কথা মাথায় রেখেই সব বন্দিকে সেই খাবার দেওয়া হয়।”

ইতিমধ্যে ভিডিও কলে ১০ মিনিট বাড়ির লোকজনের সঙ্গে কথাও বলেছেন আরিয়ান। এর আগে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বন্দিরা সপ্তাহে দু’বার ভিডিও কলে বাড়ির লোকের সঙ্গে ১০ মিনিট করে কথা বলতে পারবেন। কোভিড পরিস্থিতির জন্য ওই নির্দেশ দেওয়া হয়। আরিয়ান অবশ্য এক সপ্তাহে মাত্র একবারই ভিডিও কলে কথা বলেছেন।

গত ৩ অক্টোবর মুম্বইয়ের বিলাসবহুল রেভ পার্টি থেকে গ্রেফতার হয়েছিলেন আরিয়ান খান। মাদক মামলায় তার হাতে হাতকড়া পরিয়েছিল এনসিবি। জেরার মুখে শাহরুখ পুত্র স্বীকার করে নিয়েছিলেন তিনি মাদক নিয়েছেন। অক্টোবরের সাত তারিখে আর্থার রোড জেলে পাঠানো হয় আরিয়ানকে। এনসিবি দাবি করেছে, আন্তর্জাতিক মাদক চক্রের সঙ্গে যুক্ত আরিয়ান ও তাঁর সঙ্গীরা।

জনপ্রিয়তার শিখর থেকে এক ধাক্কায় আরিয়ানের পরিচয় হয়েছে আর্থার রোড জেলের ‘কয়েদি নম্বর ৯৫৬’। বৃহস্পতিবারই এই নতুন নম্বর পেয়েছেন আরিয়ান। জেল চলছে জেলের নিয়মে। আর সেই নিয়মের সঙ্গেই তাল মিলিয়ে দিন কাটাতে হবে আরিয়ানকে, অন্তত যতদিন না তিনি জামিন পাচ্ছেন।

পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা ‘সুখপাঠ’

You might also like