Latest News

Anubrata Mondal: ‘আমি মরি নাই’, ঘরে ফিরে বললেন কেষ্ট, বোলপুরে জনারণ্য

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কথায় বলে রাজনীতিকদের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক হওয়া উচিত জলের সঙ্গে মাছের মতো। যে রাজনীতিক সারাদিন মানুষের মধ্যে থাকেন, পার্টি অফিসে নেতাকর্মী পরিবৃত্ত হয়ে থাকেন, তাঁকে যদি গৃহবন্দি হয়ে যেতে হয়? তা হলে কী হয় তা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। ৫ এপ্রিল বোলপুর থেকে কলকাতায় এসেছিলেন। দেড়মাস পর শুক্রবার নিজের জেলায় ফিরলেন কেষ্ট মণ্ডল। সকাল থেকেই বোলপুরে জেলা তৃণমূল কার্যালয়ের সামনে ছোট্ট মঞ্চ প্রস্তুত ছিল। অনুব্রত পৌঁছনোর আগেই কার্যত জনারণ্যের চেহারা নিল ওই এলাকা।

এই দেড় মাসের একটা বড় সময় অনুব্রতর কেটেছে এসএসকেএম হাসপাতালের উডবার্ন ওয়ার্ডে। তারপর চিনার পার্কের ফ্ল্যাটে। শারীরিক কারণে খুব বেশি কারও সঙ্গে কথা বলতেন না অনুব্রত (Anubrata Mondal)। এদিন পর এত মানুষ দেখে দু’চার কথা বলার লোভ যেন সামলাতে পারলেন না বীরভূমের এই অবিসংবাদী তৃণমূল নেতা। মাইক হাতে বললেন, “আমি আছি। মরি নাই।”

‘অঙ্কিতা ভাল শিক্ষিকা ছিলেন’, বলেন ইন্দিরা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের হেড দিদিমণি

অনুব্রতর এই কথা শুনেই ওই এলাকায় যেন বিদ্যুৎ খেলে গেল। তার আগে অনুব্রত অবশ্য জানালেন, “আমি এখন আপনাদের আশীর্বাদে অনেকটাই সুস্থ। তবে আমাকে কিছুদিন বিশ্রাম নিতে হবে।” গতকাল গরু পাচার মামলায় সিবিআই অফিসারদের সামনে হাজিরা দিয়েছিলেন অনুব্রত। শুক্রবার সকালে জানা গিয়েছে, সামনের সপ্তাহে ফের তাঁকে তলব করা হয়েছে।

গত এক দশকের বেশি সময় ধরে বীরভূমের তৃণমূল মানেই অনুব্রত মণ্ডল। সেই তিনি না থাকায় গত দেড় মাস জেলা তৃণমূলের নড়াচড়াতেও শ্লথতা এসেছিল। এদিন তিনি জেলায় পা রাখতেই যেন পুরনো মেজাজ ফিরে পেলেন তৃণমূলকর্মীরা। অনুব্রতর গাড়ি জেলা পার্টি অফিসের সামনে পৌঁছতেই ফুলে ঢেকে দেওয়া হয় তাঁকে। সে যেন যুদ্ধ জয়ের উন্মাদনা। ঠাসা ভিড়ে ছোট্ট মঞ্চে এক নেতার কাঁধে ভর দিয়ে অনুব্রত কর্মীদের নির্দেশ দিলেন, “কেউ অন্যায় কাজে যুক্ত থাকবেন না।”

You might also like