Latest News

করোনার থাবায় মুখ থুবড়ে পড়েছে পর্যটন শিল্প! পুজো পেরিয়েও লক্ষ্মীলাভের আশা দেখছে না ভারত

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুরো বিশ্ব দাঁড়িয়ে রয়েছে এক ভয়াবহ পরিস্থিতিতে। কোভিড ১৯-এর থাবায় একে একে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। দেশ-বিদেশের পর্যটন শিল্পও এর থেকে বাদ যায়নি। লকডাউনে পেটের ভাত মারা গেছে বহু মানুষের। পর্যটকরা আবারও বুকে সাহস আর মনে ঘুরতে যাওয়ার অদম্য নেশাকে সঙ্গী করে বেড়িয়ে পড়ছেন বটে, তবে তার সংখ্যা বড়ই কম!

ভারতের বিভিন্ন হোটেল, ট্রাভেল এজেন্সি, বিমান সংস্থা, ভাড়ার গাড়ি ইত্যাদি থেকে জানা গেছে বর্তমান পরিস্থিতির জন্য পর্যটন শিল্পে ব্যাপকহারে ক্ষতি হয়েছে। লকডাউনের পরে সব কিছু আগের মতো স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন উদ্যোক্তারা কিন্তু রেটগেইনের তথ্য অনুযায়ী সেই পুনরুদ্ধারের হার ভারতে ভীষণই কম। ২০১৯ সালের নিরিখে দেখলে দেখা যাবে বর্তমানে ভারতের পর্যটন শিল্প তালিকার নীচের দিক থেকে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত।

রেটগেইনের তথ্য অনুযায়ী লকডাউনের পর ভারতে প্রায় তিন হাজার এবং পুরো বিশ্বে আড়াই লক্ষ হোটেল বুকিং হয়েছে। ভারতে রেটগেইনের প্রযুক্তিগত তথ্য সংগ্রহে সাহায্য করেছে বিভিন্ন গ্রুপ এবং হোটেল। যেগুলো হল হায়াত গ্রুপ, তাজ গ্রুপ, মেরিয়ট, লেমন ট্রি এবং রয়েল অর্কিড মতো গ্রুপ গুলো বিভিন্ন তথ্য দিয়ে সাহায্য করেছে।

রেটগেইনের প্রধান কর্মকর্তা অপূর্ব চামারিয়া বলেন, “আমরা চেষ্টা করি যে পর্যটকদের ভাল করে আতিথেয়তা করতে। আশা করছি তিন বছরের মধ্যে পর্যটন শিল্প আবারও আগের জায়গাতে ফিরে আসবে। বর্তমানে পর্যটকদের সুরক্ষা, স্বাস্থ্যবিধি মেনেই ঘোরানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তবুও করোনা আমাদের ব্যবসার ব্যাপক ক্ষতি করেছে। আগে যত পর্যটক আসতেন এখন তার অনেক কম সংখ্যক মানুষই আসছেন।”

গোয়া, রাজস্থান,উত্তর-পূর্ব ভারত এবং দক্ষিণের কর্ণাটকের মতো জায়গায় হল পর্যটন কেন্দ্রের মূল, কিন্তু করোনা আবহে এই জায়গাগুলোতে ঘুরতে যাওয়া যথেষ্টই চ্যালেঞ্জিং। তাঁরা চেষ্টা করছেন স্বাস্থ্যবিধি মেনেই সাধারণ মানুষকে এই সমস্ত জায়গাতে বেড়াতে নিয়ে যেতে।

বর্তমানে পোস্ট লকডাউন সময়ে অনেক পর্যটনকেন্দ্র ভাল রকমেই ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। তবে বিদেশে বা দূরে কোথাও বেড়াতে যেতে না পারলেও কাছাকাছি বেড়াতে যাওয়ার জায়গাগুলোর ক্রেজ বেড়েছে। রেটগেইনের তথ্য অনুযায়ী ভারতে বড় বড় হোটেলগুলোরও বুকিংয়ের সংখ্যা কোভিড পরিস্থিতির কারণে অনেক কমে গেছে। আহমেদাবাদ, চণ্ডীগড়, বেঙ্গালুরু, চেন্নাই, দিল্লিতে কমই যেতে চাইছেন মানুষ। তুলনামূলক ভাবে ছোট শহরগুলোর দিকে বেশি ঝুঁকছেন পর্যটকরা।

You might also like