Latest News

অমিত মিত্র কি ভোটে দাঁড়াবেন না, খড়দহে এবার তাহলে কে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কদিন আগে নির্মলা সীতারামন সাধারণ বাজেট পেশ করার পর তাঁকে ফোন করেছিলেন দিদি। তখন ফোনেই জানিয়েছিলেন, এক কথায় এই বাজেট হল—‘ডিসগাইজড ক্যামোফ্লেজড টু ডিসিট দ্য পিপল’। পরে সে কথা জানাতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলন, “অমিত দা সারা বিশ্বের অর্থনীতি খুব ভাল বোঝেন।”

তবে সবটাই এখন বাড়ি থেকে।

শরীর ভাল নেই রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্রের। চিকিৎসকদের পরামর্শ, বাড়ির বাইরে যাওয়া যাবে না। এমনই অবস্থা যে শুক্রবার রাজ্য বিধানসভায় ভোট অন অ্যাকাউন্ট পেশ করতেও তিনি অপারগ। পরিবর্তে বাজেট পড়বেন মুখ্যমন্ত্রী।
এখন বড় কৌতূহলের বিষয় হল, বাংলার দুয়ারে যখন ভোট এসে পড়েছে তখন কী করবেন ফিকির প্রাক্তন চেয়ারম্যান?

তিনি কি ভোটে লড়বেন না!

এ ব্যাপারে তৃণমূল দলীয় তরফে এখনও কিছু বলেনি। ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বা না করার বিষয়ে অমিত মিত্রও কিছু বলেননি। তবে কৌতূহল ও জল্পনা ক্রমশ মিলে মিশে যাচ্ছে। অনেকেরই প্রশ্ন, যিনি বাজেট পড়তে বিধানসভায় আসতে পারবেন না তিনি প্রবল গরমে ভোটের প্রচারে অংশ নেবেন কী ভাবে? এ প্রশ্নও উঠছে যে, অমিত মিত্র যদি ভোটে না লড়েন তাহলে এবার খড়দহ বিধানসভায় কাকে প্রার্থী করবেন দিদি?

২০১১-এর ভোটে একমাত্র অমিত মিত্রকেই ‘পরবর্তী অর্থমন্ত্রী’ হিসেবে প্রোজেক্ট করেছিলেন মমতা। তাও আবার বামফ্রন্টের অর্থমন্ত্রী অসীম দাশগুপ্তর বিরুদ্ধেই অমিত মিত্রকে প্রার্থী করেছিলেন তিনি। পরিবর্তনের হাওয়ায় সেবার খড়দহে জিততে অসুবিধা হয়নি অমিতবাবুর। ’১৬-র ভোটেও জয়ী হয়েছিলেন অমিত মিত্র।

অমিত মিত্রর বয়স এখন ৭৩ বছর। তাঁর সিওপিডির সমস্যা রয়েছে। যে কারণে তাঁর বাইরে বের হওয়া বারণ। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যেরও একই সমস্যা। কোভিড পরিস্থিতিতে দেখা গিয়েছে, বহুবার জুমের মাধ্যমে সাংবাদিক বৈঠক করেছেন অমিত মিত্র।

বাম জমানায় খড়দহ ছিল সিপিএমের শক্ত ঘাঁটি। ’০৯-এর লোকসভা ভোট থেকেই তা ধসে যেতে শুরু করে। খড়দহ বিধানসভায় তড়িৎ বরণ তোপদারকে পিছনে ফেলে ব্যাপক ব্যবধানে এগিয়ে ছিলেন দীনেশ ত্রিবেদী। তবে অনেকের মতে, ১৯-এর লোকসভা ভোটের পর থেকে খড়দহের খেলা ঘুরে গেছে। তৃণমূলের ঘাঁটি হয়ে ওঠা খড়দহে এখন গেরুয়া স্রোত বইছে। বিজেপি নেতা মণীশ শুক্ল খুন হয়ে যাওয়ার পর তা আরও বড় আকার নিয়েছে বলেই মত অনেকের।

একটি সূত্রের দাবি, খড়দহে শাসক দলের প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে স্থানীয় এক সাংবাদিকও রয়েছেন। পুরসভার প্রশাসক বোর্ডে তাঁকে সদস্য করা হয়েছিল।

You might also like