Latest News

মমতাকে মুখ্যমন্ত্রী বানিয়েই ইউপিএ শেষ হয়ে গেছে! খোঁচা অধীরের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার দুপুরে মুম্বইতে শরদ পাওয়ারের (sharad pawar) সঙ্গে বৈঠক করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (mamata banerjee) ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (abhishek banerjee)। তার পর পাওয়ারকে নিয়ে যৌথ সাংবাদিক বৈঠকে মমতা এক প্রশ্নের জবাবে বলেছেন, “কীসের ইউপিএ? ইউপিএ বলে কিছু নেই!” মমতার স্পষ্ট অভিযোগ, কংগ্রেসকে মাঠেই দেখা যাচ্ছে না। লড়াই ছেড়ে দিয়েছে সাবেক দল।
দিদির এই মন্তব্য প্রসঙ্গেই এদিন পাল্টা খোঁচা দেন লোকসভায় কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী (adhir chowdhury)। তিনি কটাক্ষের সুরে বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো ঠিকই বলেছেন। ওঁকে মুখ্যমন্ত্রী করার পরই ইউপিএ (upa)শেষ হয়ে গেছে!”
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইদানীং যে ভাবে গোয়া থেকে মেঘালয়ে সক্রিয় হয়েছেন তা নিয়ে লাগাতার সমালোচনা করছেন অধীর। তাঁর স্পষ্ট অভিযোগ, বিজেপির হাতে তামাক খাচ্ছে তৃণমূল। মোদী-দিদি আঁতাত (understanding) করে বিরোধী শক্তিকে (opposition forces) ভিতর থেকে দুর্বল (weak) করতে চাইছেন।
এদিন অধীর বলেন, “ইউপিএ জোটে ঢোকার পরই তৃণমূল ক্ষমতার মুখ দেখে। কংগ্রেসের সঙ্গে জোটের কারণেই ২০০৯ সালের লোকসভা ভোটে বাংলায় ১৯টি আসনে জিতেছিল তৃণমূল। পরে কংগ্রেসের সঙ্গে জোটের কারণে এগারো সালের বিধানসভা ভোটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় তারা।” এখানেই না থেমে অধীর বলেন, তৃণমূল বাংলায় সরকার গঠনের সঙ্গে সঙ্গে মনমোহন সিং সরকার ৮৭৫০ কোটি টাকার প্যাকেজ ঘোষণা করেছিল। কিন্তু একদিকে যখন কংগ্রেস সাহায্যের মনোভাব নিয়ে এগোচ্ছে, তখন অন্যদিকে বাংলায় কংগ্রেস ভাঙাতে নেমে পড়েন তিনি। তার পর পেট্রপণ্যের দাম বাড়ার প্রতিবাদের ছুতোয় ইউপিএ ছাড়েন এবং বিজেপির সঙ্গে আঁতাত শুরু করেন।
অধীরবাবু এভাবে সমালোচনা করলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। অধীরের মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সম্প্রতি মমতা বলেন, এ সব আমাকে জিজ্ঞেস করবেন না। কোনও ব্লকের নেতার কাছে প্রতিক্রিয়া জানতে চান। অন্যদিকে তৃণমূল মুখপাত্ররা বলেন, অধীর হতাশায় ভুগছেন। বিধানসভা ভোটে বহরমপুর লোকসভায় চার লাখের বেশি ভোটে পিছিয়ে ছিল কংগ্রেস।
যদিও এসবেও থামতে চাননি অধীর। তাঁর কথায়, চোদ্দ সালের পর থেকে মোদী-দিদি আঁতাত চলছে। মনমোহন জমানায় ভারত-বাংলাদেশ স্থল সীমান্ত চুক্তিতে মমতা সায় দেননি। সেই এক বিল বিজেপি পাশ করাতে গেলে তৃণমূল সমর্থন করে দেয়। তার পর থেকে দেখা যায় চিটফান্ড তদন্ত ধিক ধিক করে এগোচ্ছে। আর এখন তো গোটা খেলাটাই স্পষ্ট।

 

You might also like